ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

ডবলমুরিং থানা জামায়াতের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

 বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডবলমুরিং থানার উদ্যোগে গরীব শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে  শীতবস্ত্র বিতরণ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমীন।  এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নূর, চট্টগ্রাম মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর মুহাম্মদ ফারুক আজম, চট্টগ্রাম মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা সেক্রেটারী মোস্তাক আহমদ সহ থানা নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ভোটাধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীর প্রতি ডাঃ শফিকুর রহমানরে আহবান

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। ১৯৫০ সালে এই দিনটিকে জাতিসংঘ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। সেই থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিনটি মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।


ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, মিয়ানমারসহ সারা বিশ্বে মানবাধিকার চরমভাবে লংঘিত হচ্ছে। আমরা আজ এমন এক সময় এ দিবসটি পালন করছি যখন আমাদের দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। বিচার বহির্ভূতভাবে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। বিনা অপরাধে মানুষকে গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে এবং দিনের পর দিন কারাগারে আটকে রাখা হচ্ছে। মানুষের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে কেঁড়ে নেয়া হয়েছে। দেশে আজ গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই। বিরোধী দলের কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। বিচার ব্যবস্থা ও আইনের শাসনকে ভূলুন্ঠিত করা হয়েছে। মানুষের জানমাল, ইজ্জত-আব্রুর আজ কোনো নিরাপত্তা নেই। দেশে প্রতিনিয়ত গুম, খুন, হত্যা, ধর্ষণ এবং মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটছে। বর্তমানে দেশে এক বিভীষিকাময় অবস্থা বিরাজ করছে। 

হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃহবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সহমর্মিতা জ্ঞাপন, তাদের খোঁজ-খবর নেয়া ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জনাব এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর আমীর মোঃ ফখরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলা আমীর জনাব মোঃ আব্দুর রহমান, সবেক মহানগর নায়বে আমীর হাফেজ আবদুল হাই হারুন, হবিগঞ্জ জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মুখলিসুর রহমান, সিলেট মহানগরী সেক্রেটারী জনাব মোঃ শাহজাহান আলী, হবিগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি জনাব কাজী মহসিন আহমদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

একজন সহকর্মীকে হারালাম: এ. আর. নদভী

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ খুব কষ্টের সাথে লিখতে হচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর লাইব্রেরীর জুনিয়র লাইব্রেরীয়ান জনাব আব্দুর রাহমান ভাই গতকাল ৪ ডিসেম্বর ২০২০ চট্টগ্রাম শহরের সার্জিস্কোপ এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসরের পর ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রা-জে-উ-ন।

তার সাথে আমার শেষ দেখা হয়েছে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখে। দুপুরে ক্যাম্পাস হতে বাসায় ফেরার জন্য তিনি শিক্ষকদের এসি গাড়িতে উঠেছিলেন। ভাটিয়ারী এসে যখন গাড়ি হতে নামছিলেন তখন তাকে দেখে খুবই খারাপ লাগছিলো। কারণ তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিলো না। দুর্বলতার কারণে পা তখনও সামনে চলছিলো না ঠিক মত। তাই আমি গাড়ির সহকারীকে জসীমকে খুব সতর্কের সাথে নামিয়ে দিতে বললাম। নেমে যাওয়ার সময় আব্দুর রাহমান ভাই বললেন স্যার! খুব অসুস্থ দো‘য়া করবেন।
আমার সাথে তখন প্রফেসর ড. মাহবুবুর রাহমান স্যারও ছিলেন। আমরা কিছুক্ষণ তার অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে কথা বলে আবার নিজেদের মত করে কথা বলতে বলতে চলে আসলাম। আর সেই পৃথক হওয়াটাই তার সাথে আমাদের শেষ দেখা এবং শেষ কথা ছিলো।
আমার সাথে তার গভীর সম্পর্ক ছিলো। পারিবারিকভাবেও আমাদের যোগাযোগ ছিলো। তার ওয়াইফের সাথে আমার ওয়াইফের খুব মিল ছিলো। ক্যাম্পাসের সামনে নির্মিত আমার বাসায় অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রোগ্রামে তার ওয়াইফ আসতেন। মায়ের সাথে বাচ্চারাও আসতো। আমার ওয়াইফও তার বাসায় যেতেন। আমাদের মাঝে কখনো শিক্ষক-অফিসার ভাব ছিলো না। তাকে আমি একজন ভাইয়ের মতই ভাবতাম। তার বাচ্চাগুলোকে আমি খুব আদর করতাম। কুমিরা ছেড়ে আসার পরও যখনই আমার ওয়াইফ ক্যাম্পাসে যেতেন তখনই তার বাসায় অব্যশ্যই যেতেন। ফিরে আসার পর আমি তাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেসও করতাম।
কুমিরা ক্যাম্পাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করে যারা আবাদ করার জন্য সর্ব প্রথম পরিবার নিয়ে থাকার সাহসিকতা দেখিয়েছেন তিনি তাদের একজন ছিলেন। তিনি আমাদেরও আগে গিয়ে সেখানে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেছেন।। আর যে দুইজন ছিলেন তাদের একজন হলেন প্রফেসর ড. শাফী উদ্দীন মাদানী এবং আরেক জন আমি।
আমি এক নং হলের প্রোভেস্ট ছিলাম আর শাফী উদ্দীন মাদানী ভাই ২ নং হলের প্রভোস্ট ছিলেন। আমি ভার্সিটির এক প্রান্তে আব্দুর রাহমান ভাই আরেক প্রান্তে শাফী উদ্দীন ভাই অন্য প্রান্তে থাকতেন। আমি দক্ষিণে আব্দুর রাহমান ভাই পূর্বে আর শাফী উদ্দীন ভাই পশ্চিম উত্তরে থাকতেন। আব্দুর রাহমান বর্তমানে শিক্ষক ডর্মের নামে পরিচিত সেখানের সিঁড়ির নীচে একটি ছোট্ট বাসায় থাকতেন। তদানীন্তন প্রো-ভিসি আবু বকর রাফীক আহমাদ সাহেব তাকে সেখানে থাকার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। রাফীক সাহেব তাকে খুব পছন্দ করতেন।
এসব কারণে আমার সাথে তার গভীর সম্পর্ক ছিলো। আমার কাছে বিভিন্ন সময় আসতেন। পারিবারিক বিষয়ে অনেক কিছুই শেয়ার করতেন। নিজের বাচ্চাদের জন্য শ্বশুরের বাড়িতে কেনা জায়গায় একটি ঘর করার তার পরিকল্পনা ছিলো। কারণ তিনি নও মুসলিম ছিলেন। তাই পৈত্রিক সম্পত্তি হতে মাহরূম হয়েছেন। থাকতেন শ্বশুর বাড়িতে।
খুব কষ্ট করে তার দুটি ছেলে ও একটি মেয়েকে মানুষ করেছেন। বড় ছেলেটা চট্টগ্রাম ভার্সিটি হতে সিএসই শেষ করে এখন একটি প্রাইভেট ভার্সিটিতে শিক্ষকতা করে। দ্বিতীয় ছেলেটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরী করে। আর মেয়েটি কলেজে পড়ে।
পরিশেষে সবার কাছে আব্দুর রাহমান ভাইয়ের জন্য দো‘য়ার আবেদন করছি। আল্লাহ্ যেন তার ঈমানকে ক্বাবুল করে তাকে জান্নাতের মেহমান বানিয়ে নেন এবং তার সন্তানদেরকে সাবরে জামীল দান করেন। আ-মী-ন।

ভাস্কর্য বনাম মূর্তি আসাদ বিন হাফিজ

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ

মৌচাকেতো মৌমাছি নয়, আরো থাকে মধু
তোমার ঘরে বউ থাকেতো আমার ঘরে বধু।
আমার বাড়ি গরু থাকে তোমার থাকে কাউ
আমার ঘরে কদু থাকে, তোমার ঘরে লাউ।
আমি যখন পানি খাই তুমি তো খাও জল
প দিয়ে হয় পানি আর জ দিয়ে হয় জল।
পানি ও জল এক করার কোন মানে হয়?
তবে কেনো ভাস্কর্য আর মূর্তিরে এক কয়?
ভাস্কর্য হয় ভাস্কর্য, আর মূর্তি মানে মূর্তি
এ ফায়সালা হয়ে গেল করো তবে ফুর্তি।
মূর্তির পক্ষ নেবে যারা জাহান্নামে যাবে
ভাস্কর্যটার পক্ষ নিলে দোজখ শুধু পাবে।
মহানবীর উম্মত হলে কোরান হাদিস পড়ো
এটা দিয়েই বন্ধু তুমি নিজের জীবন গড়ো।

শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চট্টগ্রাম’র কর্মকর্তা আব্দুর রহমান চলে গেলেন না ফেরার দেশে

 বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন ডিভিশনের সহকারী পরিচালক/জুনিয়র গ্রন্থাগারিক, জনাব মুহাম্মদ আব্দুর রহমান দুরারোগ্য ক্যান্সার জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আজ বিকালে ৫টায় মৃত্যুবরন করেছেন। ইন্নালিল্লহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি চট্টগ্রাম শহরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন ডিভিশনের পরিচালক লাইব্রেরীয়ান জনাব জাহাঙ্গীর আলম নিশ্চিত করেছেন।

তার মৃত্যুতে লাইব্রেরী এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের পক্ষ থেকে  আনোয়ার হোসেন নুরী হোয়াটসএপ এ এক শোক বার্তা প্রদান করেছেন।

শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন,“মহান রবের দরবারে আমাদের প্রিয় ভাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এবং মহান রবের দরবারে দোয়া করছি, মহান রব যেন তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন। আমীন।”

এছাড়া আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ্এর অফিসার্স ফোরামের পক্ষ থেকে  শোক প্রকাশ করে বানী প্রদান করা হয়। শোকবানীতে অফিসার্স ফোরাম নেতৃবৃন্দ মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন ডিভিশনের পরিচালক লাইব্রেরীয়ান জনাব জাহাঙ্গীর আলম,  অরিরিক্ত পরিচালক, এসডিএসডব্লিউডি, জনাব মাহফুজুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব জাহেদ রহমান প্রমূখ  অফিসার্স ফোরামের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

অফিসার্স ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত: স্থগিত প্রমোশন চালুর দাবী; কল্যাণ তহবিল গঠন

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ ০২ ডিসেম্বর’২০  আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম’র  অফিসার ফোরামের এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দীর্ঘদিন যাবত অঘোষিতভাবে বন্ধ থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বন্ধ থাকা প্রোমোশ দ্রুত চালু করার দাবী জানানো হয়।

০২ ডিসেম্বর ‘২০ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম’র স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সভায় ২ জন কর্মকর্তার জন্য এককালীন চিকিৎসা সাহায্য সংগ্রহ করা ছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়। এ ছাড়া ট্রাস্ট মেম্বার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা অসুস্থ তাদের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়।

 ট্রান্সপোর্ট  ব্যবস্থাপনা বিভাগের ডাইরেক্টর জনাব মহিউদ্দিন হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায়  অন্যান্যের মধ্যে এসডিএসএস ডাব্লিউডি’ এডিশনাল ডাইরেক্টর জনাব  মাহফুজুর রহমান  বিদেশ বিভাগেরএডিশনাল ডাইরেক্টর  জনাব কামাল উদ্দিন, ভিসি অফিসের  এডিশনাল ডাইরেক্টর জনাব সিরাজুল আরেফিন, পিপিডি’র ডেপুটি ডা্ইরাসিস্রেটক্টর জনাব মাহমুদুল আলম, ট্রান্সপোর্ট  ব্যবস্থাপনা বিভাগের ডিডি জনাব আক্তার হোসাইন, সিনিয়র এষ্টিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। 

দীর্ঘদিন প্রমোশন বন্ধ থাকায় কর্মকর্তদের মধ্যে ক্ষোভ পরিলক্ষিত হয়। প্রমোশনের বিষয়টি  অফিসার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দকে কতৃপক্ষে সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে দাবী  জানানো হয়। 

নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা শেষে একটি কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়। যা প্রতিমাসে সকলেই প্রদান করবে।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের আক্রমণের কারনে অর্থনৈতিক নানা সংকটের মধ্যেও  আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম’র কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের বেতন ভাতা চালু  রাখতে পেরেছেন ্জন্য প্রথমে মহান আল্লাহর এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়। 

সবশেষে অসুস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ট্রাস্ট মেম্বারসহ সকলের জন্য দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। মুনাজাত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন  বিদেশ বিভাগেরএডিশনাল ডাইরেক্টর  জনাব কামাল উদ্দিন।