ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১
আবিস্কার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আবিস্কার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৭

'নিশ্চই আল্লাহ মশা কিংবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোন জীবের উদাহরণ টানতে লজ্জাবোধ করেন না

বাংলাদেশ বার্তাঃ কোরআনে এতো সুন্দর সুন্দর কথা! কোরআন যখন নাযিল হচ্ছিলো, তখন আরবরা ছিলো সাহিত্যের স্বর্ণযুগে। তৎকালীন পৃথিবীর শক্তিমান কবি-সাহিত্যিকদের অনেকেই ছিলো আরবের। এমন সময়ে কোরআন এসে সেইসব নামডাক ওয়ালা কবি-সাহিত্যিকদের চ্যালেঞ্জ করে বসলো। বলে বসলো,- 'পারলে রচনা করে আনো এরকম একটি সূরা'।
সবাই আঁধাজল খেয়ে নেমে পড়লো। অনেক খাঁটাখাঁটুনির পরে, কোরআনের সাথে কম্পিটিশন করে তারা যা রচনা করে আনলো, তা পড়ে তাদের স্বগোত্রীয়রাই হাসাহাসি করতে লাগলো।

যাহোক, কোরআনের কথাগুলো এতোটাই মর্মস্পর্শী, এতোটাই সুমধুর যে, ইসলামের চরম শত্রুরাও গভীর রাতে লুকিয়ে লুকিয়ে রাসূল (সাঃ) এবং সাহাবা (রাঃ) দের কোরআন পাঠ শুনতো।
তৎকালীন মুশরিকরা কোরআনে এমন কোনকিছুই পাচ্ছিলো না, যেটা দিয়ে তারা কোরআনের সমালোচনায় নামতে পারে। হাসি ঠাট্টা করতে পারে। তারা দেখতে পাচ্ছিলো, কোরআন যা বলছে, সব যেন তাদের চারপাশ থেকে নেওয়া। তাদের জীবন ঘনিষ্ঠ ব্যাপারগুলোই যেন তাদের সামনে এক অদ্ভুতভাবে বলে দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভুলগুলো তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 
তারা অনেকদিন থেকে আশায় আছে কী দিয়ে কোরআনকে একহাত নেওয়া যায়!
একদিন সে সুযোগ এলো। তারা যখন দেখলো আল্লাহ সুবাহান ওয়াতা'লা কোরআনে মশার মতো ক্ষুদ্র, নিকৃষ্ট প্রাণীকে উল্লেখ করে কথা বলছে, তারা তখন বলতে লাগলো,- 'মুহাম্মদ! তোমার আল্লাহ কী দুনিয়ায় আর কিছুই পায় নাই উল্লেখ করার মতো? তাই বলে মশাকে উদাহরণ হিসেবে টানতে হবে? হা হা হা...'
তাদের মত ছিলো, আল্লাহ যদি সর্বশক্তিমান হয়, তার কী দরকার মশার মতো ক্ষুদ্র প্রাণীকে উদাহরণ হিসেবে টানার? কতো বিশাল বিশাল প্রাণী তো আছে.....।
তাদের এই কটুক্তির জবাব আল্লাহ সুবাহান ওয়া তা'লা দিয়েছেন সূরা বাক্বারার ২৬ নম্বর আয়াতে। তিনি বলেছেন-
'নিশ্চই আল্লাহ মশা কিংবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোন জীবের উদাহরণ টানতে লজ্জাবোধ করেন না। যারা বিশ্বাসী, তারা জানে এটা তাদের র'বের পক্ষ থেকে আসা সত্য। আর যারা অবিশ্বাসী, তারা বলে- এরকম (ক্ষুদ্র জীবের) উদাহরণ টেনে তিনি কী বুঝাতে চান?'
মজার ব্যাপার হচ্ছে, মশার আকৃতি ক্ষুদ্র দেখেই সেসব অবিশ্বাসীরা মশাকে আন্ডারএস্টিমেইট করে বসে। ভাবখানা এমন, তারা নিজেরা চাইলে এর চেয়েও উত্তম কিছু সৃষ্টি করতে পারবে।
কিন্তু, মশার মতো অতি ক্ষুদ্র জীবের মধ্যে যে মেকানিজম সেট করা আছে, সেই মেকানিজম সৃষ্টি তো দূরের কথা, বুঝতেও মানুষের মতো অতি উন্নত সৃষ্টির যুগের পর যুগ সময় লেগে গেছে।

মশা খুবই ক্ষুদ্র একটি প্রাণী। এই মশার রয়েছে ১০০ টিরও বেশি চোখ। এতো ক্ষুদ্র শরীর নিয়েও মশা ২ থেকে আড়াই মিলিগ্রাম ওজনের বস্তু আলগাতে পারে। মুখের মধ্যে রয়েছে ৪৮ টির মতো দাঁত।
ক্ষুদ্র শরীরের মধ্যেই, মশার রয়েছে তিন তিনটি হৃদপিন্ড। মশার নাকের মধ্যে রয়েছে ছুরির মতো ছয়টি ধারালো বস্তু এবং প্রত্যেকটির রয়েছে আলাদা আলাদা ফাংশান। দুই পাশে তিনটি করে মোট ছয়টি পাখা আছে মশার। 
মশার শরীরের মধ্যে ডিজিটাল X-Ray মেশিনের মতো একটি যন্ত্র রয়েছে যেটার মাধ্যমে মশা মানুষকে অন্ধকারের মধ্যেও ডিটেক্ট করতে পারে।
মশার শরীরে এক ধরণের ভ্যাকসিন রয়েছে। মশা যখন কাউকে কামড়ায়, তখন এই ভ্যাকসিন কাজ শুরু করে। এর ফলে, আমরা অনেক সময় মশার কামড়ের ব্যথা অনুভব করতে পারি না। এটাকে মশার জন্য একপ্রকার 'রক্ষা কবচ' বলা যায়। রক্ত পরীক্ষা করার জন্য মশার শরীরে আলাদা যন্ত্র রয়েছে। এর কারণ, মশা কিন্তু সব ধরণের, সব গ্রুপের রক্ত পছন্দ করেনা। তাড়াতাড়ি রক্ত শুষে নেবার জন্যও মশার শরীরে রয়েছে এক অত্যাধুনিক মেকানিজম।
এতো অত্যাধুনিক মেকানিজমে তৈরি এই ক্ষুদ্র প্রাণীটি। মুশরিকরা যখন এটাকে ক্ষুদ্র বলে উপহাস করে বসলো, তখনই আল্লাহ বলছেন,- 'নিশ্চই আল্লাহ মশা কিংবা তারচেয়েও ক্ষুদ্র কোন জীবের উদাহরণ টানতে লজ্জাবোধ করেন না...'
বলুন তো, এতো অত্যাধুনিক মেকানিজমের যে সৃষ্টি, তার সৃষ্টিকর্তার কী এটা নিয়ে লজ্জাবোধ করার কিছু আছে?
অথচ, লোহা, তার আর যন্ত্রপাতি দিয়ে মানুষ রোবট তৈরি করেছে। এর কিছু ব্যাটারি ছাড়া চলে না। কিছু বিদ্যুৎ ছাড়া চলে না। নির্দিষ্ট করে দেওয়া প্রোগ্রামের বাইরে এসব রোবট কাজ করতে পারেনা। মানুষের অত্যাধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানে তৈরি এসব রোবট আল্লাহ সুবাহান ওয়া তা'লার সৃষ্ট সামান্য মশার কাছে কতোটাই অসহায় একবার ভাবুন তো। অথচ, এই রোবটকে নিয়ে মানুষের কী উল্লাস! মক্কার মুশরিকরা সেটা তখনও অনুধাবন করতে পারেনি, এখনকার অবিশ্বাসীরাও সেটা অনুধাবন করতে পারেনা।

দু'দিন পর পর জোড়াতালি দিয়ে 'কৃত্রিম প্রাণ' তৈরির খবর পাওয়া যায় মিডিয়ায়। এসব খবরে উল্লসিত, আবেগাপ্লুত প্রাণীদের জন্যও 'মশা' দারুন একটি উদাহরণ বটে!!
ছবিটা দেখুন। প্রথম ছবিটা একটি মশার শুধু পা'য়ের মেকানিজমের। আর দ্বিতীয় ছবিটা সাম্প্রতিক সময়কার আলোচিত রোবট সোফিয়ার। মানুষের জ্ঞান-বিজ্ঞান একটি সামান্য মশার মেকানিজমের কাছে কতোটা তুচ্ছ দেখুন। অথচ, এই মানুষের কতো দম্ভ! অহংকার!

বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৫

ভাসমান ট্রেন আবিস্কার করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী


সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ডঃ আতাউল করিম এমন একটি ট্রেনের নকশা করেছেন যা চলার সময় ভূমি স্পর্শ করবে না। তার এই আবিষ্কার পৃথিবী জুড়ে রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছে। বিভিন্ন দেশে এই ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের চিন্তা ভাবনা চলছে।
২০০৪ সালে ভাসমান ট্রেনের প্রকল্প হাতে নেন আতাউল করিম। দেড় বছরের মাথায় ট্রেনটির প্রোটোটাইপ তৈরি করতে সক্ষম হন তিনি। যেখানে ওল্ড ড্যামিয়ান ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ৭ বছর চেষ্টা করেও সফলতা পায়নি। পরের সময়টায় নাম করা বিজ্ঞানীরা এই মডেলটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছে। কিন্তু কোন খুঁত খুঁজে না পাওয়ায় এটা বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ট্রেনের প্রচলিত ধারাকে পেছনে ফেলে আতাউল করিম সম্পূর্ণ নতুন পাদ্ধতিতে এই ট্রেনের ডিজাইন করেছেন। এই ট্রেনের গঠনশৈলী আকর্ষণীয়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য, এটা চলার সময় ভূমি স্পর্শ করবে না। ট্রেনটি চুম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সাবলীলভাবে চলবে। এর গতিও অনেক বেশি হবে। অনেকটা বুলেট ট্রেনের মত। জার্মানি, চীন ও জাপানে ১৫০ মাইলের বেশি গতির ট্রেন আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে এগুলোর সাথে আতাউল করিমের ভাসমান ট্রেনের প্রার্থক্য হচ্ছে, ওই ট্রেনে প্রতি মাইল ট্র্যাক বসানোর জন্য গড়ে খরচ পড়ে ১১ কোটি ডলার। আর সেই জায়গায় আতাউল করিমের আবিষ্কৃত এ ট্রেনে খরচ হবে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ ডলার।

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫

বিজ্ঞানে নোবেল পাওয়ার পথে ঢাকা কলেজের জাহিদ হাসান........


এরকম আরো একটা কণার অস্তিত্ব থাকতে পারে, ৮৫ বছর আগেই প্রথম জানিয়েছিলেন হারম্যান ভাইল
নামে এক বিজ্ঞানী। ভাইলের সেই কণাকে গবেষণাগারে শনাক্ত করে ফেললেন আমেরিকার প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী জাহিদ হাসান। সত্যেনবসুর বোসন আবিষ্কারের ৯১ বছর
পর আরেক বাঙালি গবেষকের নেতৃত্বে আবিষ্কৃত হলো নতুন গ্রুপের একটি কণা, যা আবিষ্কারের পর কেবল তত্ত্বীয়
পদার্থবিজ্ঞান পাল্টে যাবে না, ইলেকট্রনিক ও কম্পিউটার দুনিয়ায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। গত বৃহস্পতিবার আমেরিকার সায়েন্স পত্রিকা 'সায়েন্স'-এ জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে গবেষক দলের এ সাফল্যের খবর ও 'ভাইল ফার্মিয়ন' কণার সন্ধান মেলার প্রামাণ্য তথ্য বিশদভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। জাহিদ হাসান তাতে জানিয়েছেন, ভাইল ফার্মিয়নের অস্তিত্ব প্রমাণিত হওয়ায় দ্রুতগতির ও অধিকতর দক্ষ ইলেকট্রনিক্স যুগের সূচনা হবে। কেমন হবে সেই নতুন যুগের ইলেকট্রনিক সামগ্রী? অধ্যাপক হাসানের কথায়, এই আবিষ্কার কাজে লাগিয়ে আরো কার্যকর নতুন প্রযুক্তির মোবাইল ফোন বাজারে এসে যাবে, যা ব্যবহারে তাপ সৃষ্টি হবে না। তিনি বলেন, কারণ ভাইল ফার্মিয়ন কণার ভর নেই। এটি ইলেকট্রনের মতো পথ চলতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে না। তৈরি হবে নতুন প্রযুক্তির কম্পিউটার ও বৈদ্যুতিক নানা সামগ্রী।
★এম জাহিদ হাসান ছোটবেলায় ঢাকার ধানমন্ডি গভ. বয়েজ স্কুলে পড়াশোনা করেন। ঢাকা কলেজের সাবেক এই
ছাত্রের পিএইচডি স্টানফোর্ডে। এরপর শিক্ষকতা ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ায়। এখন প্রিন্সটনে গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষকতা করছেন তিনি। পৃথিবী, যাবতীয় গ্রহনক্ষত্র, নদী-নালা, সমুদ্র, পর্বত, প্রাণিজগৎ, গাছপালা, মানুষ
— সব ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার পিণ্ড।
মহাজগতের এসব বস্তুকণাকে বিজ্ঞানীরা দুটি ভাগে ভাগ করেন। একটি 'ফার্মিয়ন', অন্যটি 'বোসন', যা আবিষ্কার করেছিলেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্র নাথ বসু, তার নামেই 'বোসন' কণা। 'ফার্মিয়ন' কণার একটি উপদল হলো 'ভাইল ফার্মিয়ন'। ১৯২৯ সালে বিজ্ঞানী হারম্যান ভাইল এই 'ভাইল ফার্মিয়ন' কণার অস্তিত্বের কথা জানিয়েছিলেন, তার নামেই এই অধরা কণার নামকরণ হয়েছিল। ১৯২৯ সাল থেকেই পদার্থবিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে গেছেন 'ভাইল ফার্মিয়ন'-এর অস্তিত্ব প্রমাণের। ৮৫ বছর ধরে সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সন্ধান মিলল সেই অধরা কণা 'ভাইল ফার্মিয়ন'-এর।
★অধ্যাপক জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, মোট তিন ধরনের ফার্মিয়নের মধ্যে 'ভিরাক' ও 'মায়োবানা' ফার্মিয়নের খোঁজ আগেই পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু বহু পরীক্ষায় দীর্ঘদিনেও 'ভাইল ফার্মিয়ন'-এর সন্ধান না মেলায় মাঝে তারা ভেবেছিলেন, নিউট্রিনোই সম্ভবত ভাইল ফার্মিয়ন। কিন্তু পরে এ ভাবনা পরিত্যক্ত হয়েছে। কারণ নিউট্রিনোর ভর আছে, ভাইল ফার্মিয়ন ভরশূন্য। অবশেষে তার সন্ধান মিলল। ইলেকট্রনিক্সের নবযুগ আসন্ন।