ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১
মিডিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মিডিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৬ মে, ২০১৮

অপেক্ষার পালা যেন শেষ হচ্ছে না!

বাংলাদেশ বার্তাঃ ৫ বছর হয়ে গেল! এখনো অনেকে অপেক্ষায় আছেন। 
দেখা হলে জিজ্ঞেস করেন- 
ভাই দিগন্ত কবে খুলবে? আর কী খুলবেনা! 
দিগন্ত টেলিভিশন সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেয়ার পর অনেক দর্শক, শুভার্থী এমনকি আমাদের কোন কোন সহকর্মী ভাবতেন কী দরকার ছিল এত রেডিক্যাল হবার! 
একটু রয়ে সয়ে চললেই তে হতো।
তাদের এ জাতীয় মন্তব্যে মনটা খুব খারাপ হয়ে যেত।

আসলেই আমরা কী কোন ভুল করেছি। 
নিজের দোষ তো কেউ ধরতে পারেনা। হয়তো  আমাদেরই ভুল ছিল। এসব ভেবে ভেতরে ভেতরে মনমরা হয়ে থাকতাম। 
ইদানীং লোকদের আর সেসব কথা বলতে শুনিনা।
তারা হয়তো ইত্যবসরে দেখে ফেলেছেন রয়ে সয়ে চললেও ফ্যাসিবাদের কাছে আখেরে ফলাফল শূন্য।
দেশের বৃহত্তম ব্যাংক টি চোখের সামনেই তিলে তিলে নি:শেষ হতে চলেছে। রয়ে সয়ে, স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে এবং শাসকদের মন মত করে চলার নীতির যারা প্রণেতা ছিলেন- তারাও সেই ব্যাংকে নেই আজ। অপমানজনক ভাবে তাদের সে ব্যাংক ছাড়তে হয়েছে। 
এই দখল স্বত্ব উপহার দিয়ে তিল তিল মৃত্যুর কোন গৌরব নেই। তাদের জন্য কোন প্রতিবাদ থাকেনা। থাকেনা কোন সহমর্মিতা। 
দিগন্ত কে জোর করে অন্যায়ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশে বিদেশে লক্ষ কোটি জনতা এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। আজও মানুষ আমাদের ভালবাসে। 
কখন দিগন্ত চালু হবে তার প্রত্যাশায় থাকে।
আমাদের চোখ, মুখ, হাত, পা বাঁধা কিন্তু আমরা মরিনি।
নতুন প্রত্যাশায় জীবন শুরু করার জন্য উন্মুখ হয়ে বেঁচে আছি।
এই বেঁচে থাকা খুব কষ্টের।
কর্মহীন, শূন্য উদরে বেঁচে থাকার মর্মপীড়া বড্ড অসহনীয়।
চোখের উপচে পড়া জল মুছে, পেটে পাথর বেঁধে তবুও আমরা অপেক্ষায় আছি।
দেখতে চাই সত্যের জয়।
উপলব্ধি করতে চাই ফ্যাসিবাদ হারলে তাঁর চেহারা কেমন হয়? দিগন্তের জরাজীর্ণ ক্যামেরায় সেই চেহারার ছবি ধারণ করে ইতিহাস হতে চাই ।
———————
৬ই মে’ ২০১৮।
from brother mujibur rahman manju

বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০১৬

দৈনিক পূর্বকোণে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ:পত্রিকায় বানোয়াট নিউজ ছাপিয়ে বাঘ কে বিড়ালের ভয়দেখানো থেকে বিরত থাকুন

বাংলাদেশ বার্তা ১২মে, ২০১৬: সাবেক সাংসদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী "দৈনিক পূর্বকোণ" পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তার ফেসবুক আইডিতে নিম্নরূপ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
আমার প্রতি চট্রগ্রামের বহুল আলোচিত এই "দৈনিক পূর্বকোণ" এর অগাধ ভালবাসা আমি দীর্ঘ দিন ধরে অবলোকন করে আসছি।আজকের পত্রিকার আমাকে নিয়ে এই নিউজ টি সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। পত্রিকায় রিপোর্টারদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই আমি নিয়ম তান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী। আমার মত একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্বে দিনের পর দিন অবৈধ প্রশাসন এর মিথ্যা দায়েরকৃত সাঝানো বানোয়াট ও মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে রাজনীতিরর ময়দান থেকে দূরে রাখার যে পায়তারা চালাচ্ছে এই আসল সত্য কথাটি আপনারা প্রচার করতে অক্ষম কেন?
আর আমি আজ পর্যন্ত কোন বক্তব্য অপ্রকাশ্য ভাবে করি নাই আমার সব বক্তব্য দিনের আলোর মত প্রকাশ্য। একজন পরিচ্ছন্ন ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ সব সময় প্রকাশ্যে বক্তব্য প্রদান করে থাকে আর এই কারনে যদি কোন পত্রিকার সাংবাদিকদের ঘুম নষ্ট হয়ে যাই তাহলে অবশ্যই সে সব সাংবাদিকরা যানেন না যে সাংবাদিকতা মানে সত্য কথা প্রকাশ করা। আর আমি কেন্দ্রীয় সকল কর্মসূচিতে অংশ নিলে দৈনিক পূর্বকোনের সাংবাদিকদের সমস্যা কোথায় আমি একটি দলের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য হিসেবে কেন্দ্রীয় কর্মসুচীতে অংশ নেয়া আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আমি ইসলামী আন্দোলন করি নিজের সমস্ত কিছু ইসলামী আন্দোলনের জন্য কুরবানি দিতে প্রস্তুত এখানে আত্নগোপন শব্দ আর গ্রেফতারী পরোয়ানার নিউজ উত্তোলন করে দমিয়ে রাখা যাবেনা।ইনশাল্লাহ আমার শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে ও জামায়েত ইসলামী, এবং ইসলামী আন্দোলনের জন্য, ইসলামী বিপ্লবের জন্য লড়ি করে যাব। এবং আমার সকল নেতা কর্মীদের প্রস্তুত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি।আমাদের নেতৃবৃন্দের রক্তের বদলা আমরা নিব ইনশাল্লাহ। পত্রিকায় বানোয়াট নিউজ ছাপিয়ে বাঘ কে বিড়ালের ভয়দেখানো থেকে বিরত থাকুন এবং সত্য খবর চাপিয়ে মিথ্যার যে তখমা আপনাদের গায়ে লাগিয়েছেন তা মুছে পেলার চেষ্টা করুন।

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫

দেশের গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য, বাংলাদেশের প্রশংসা করেননি ওবামা


ওবামা নাকি বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন? ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশকে কেনিয়ার মানুষের জন্য উদাহরণ হিসেবে টানলেন তিনি।’ নড়েচড়ে তো বসবেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো—কী টেলিভিশন কী দৈনিক, হয়তো অনলাইন মাধ্যমও।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, কেনিয়ায় শনিবার যে বক্তৃতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট—যে বক্তব্য নিয়ে এই প্রতিবেদন—সেখানে বাংলাদেশের কোনো প্রশংসাই করেননি ‘কেনিয়াপুত্র’ ওবামা।
অথচ একটি টেলিভিশন চ্যানেল খবর প্রচার করে ফেলল, ‘…কেনিয়ায় গিয়ে এবার বাংলাদেশের প্রশংসা করলেন ওবামা।’
একটি দৈনিক তো আরও একধাপ বাড়িয়ে ওবামাকে উদ্ধৃত করেছে, ‘তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বর্তমানে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। দৈনন্দিন জীবন এমনকি নির্বাচন পর্যন্ত এ সব দেশে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।’
আসলে ওবামা কী বলেছেন ইউটিউব থেকে পাওয়া একটি ভিডিওচিত্র (যা এই প্রতিবেদনের সবশেষে যুক্ত রয়েছে) থেকে দেখা গেল, ওবামা কেনিয়ায় যাত্রা শুরু করা এক প্রযুক্তির প্রশংসা করতে গিয়ে জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনেছেন।
ভিডিওচিত্রটির ৮ মিনিট ৬ষ্ঠ সেকেন্ডের পর শোনা যাচ্ছে বা ওবামা বলছেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ক্লাউড সোর্সিং প্ল্যাটফর্ম—উষাহিদি ব্যবহার করছে জিম্বাবুয়ে থেকে বাংলাদেশ।
দুর্দান্ত এই আইডিয়ার গোড়াপত্তন কিন্তু এই কেনিয়াতেই।’ ভাষণকালে ওবামা যখন ‘বাংলাদেশ’ উচ্চারণ করছেন, ঠিক সেই মুহূর্তটি স্থিরচিত্র হিসেবে নেওয়া হয়েছে ইউটিউবের ভিডিওচিত্র থেকে।
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম