ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১

শনিবার, ১৮ জুন, ২০১৬

ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ জামায়াতের


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ ১৮ জুন প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা প্রদান করায় ভারতই একতরফাভাবে লাভবান হচ্ছে। অপর পক্ষে বাংলাদেশের লাভের পরিবর্তে অপূরনীয় ক্ষয়ক্ষতি হবে। 
দেশবাসীকে অন্ধকারে রেখে ইতোমধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ বন্দরের জেটিতে ভারতীয় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে ট্রাকে ভারতে নেয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সড়কগুলো ভারতীয় ভারী যান-বাহন চলাচলের উপযোগী নয়। ভারতীয় ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের পূর্বেই ভারতীয় ভারী যানবাহন চলাচল করলে বাংলাদেশের সড়কগুলো ভেঙ্গে যানবাহন চলাচলের অনুপোযোগি হয়ে যাবে। বাংলাদেশের ভাঙ্গা রাস্তাঘাটের মেরামতের দায়িত্ব তো ভারত নিবেনা। তাই বাংলাদেশকেই ভাঙ্গা রাস্তাঘাট নির্মাণের খরচের ভার বহন করতে হবে। এতে প্রতি বছরই বাংলাদেশকে শত শত কোটি টাকা গচ্ছা দিতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হওয়ার আশংকা করছে অভিজ্ঞ মহল। 
সরকার একদিকে জঙ্গী ধরার নামে সারা দেশে সাঁড়াশী অভিযান চালিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোককে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে দেশের জনগণকে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠ ও আতংকের মধ্যে রাখছে। অন্যদিকে দেশবাসীকে অন্ধকারে রেখে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দিচ্ছে। এতে সরকারের সাঁড়াশি গণগ্রেফতার অভিযানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণের মনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। 
ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা প্রদান করা হলে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশের শত শত কোটি টাকা ক্ষতি হবে। তাই ট্রানজিট প্রদানের খবরে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। 
ভারতকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার বিষয়টি নিয়ে জাতীয়ভাবে খোলামেলা সংলাপ হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দেশের জনগণের মতামতের কোন তোয়াক্কা না করে সরকার একতরফা সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়া শুরু করেছে। 
বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে জাতীয়ভাবে অবশ্যই সংলাপ হওয়া উচিত। তাই জাতীয়ভাবে সংলাপ করে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১৬

সাঁড়াশি অভিযানের নামে জামায়াতসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি এবং গ্রেফতার বাণিজ্যের নিন্দা -ডা. শফিকুর রহমান ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ধরার উদ্দেশ্যে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের নামে জামায়াতসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি এবং গ্রেফতার বাণিজ্যের নিন্দা জানিয়ে ও এ ব্যাপারে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গতকাল ১১ জুন প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলাদেশে একের পর এক হত্যাকাণ্ড চলছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ নানা পেশার নারী ও পুরুষ নির্মম গুপ্ত হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হয়নি।
কোন একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীবর্গ, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ জামায়াত এবং অন্যান্য বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং প্রকৃত খুনিরা আড়ালে চলে গিয়ে এ অপকর্ম চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহ পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পরপরই আমরা বিবৃতির মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তি দাবি করেছি। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অথচ সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা। প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করে শাস্তি বিধানে সরকারের অনীহা কেন তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। সাগর-রুনি দম্পত্তি হত্যাকাণ্ড, কুমিল্লায় তনু হত্যা, কয়েক জন বিদেশী নাগরিকসহ ব্লগার হত্যা এবং ধর্মীয় নেতা ও ধর্মীয় সেবকদের হত্যাকাণ্ডে দেশে-বিদেশে তোলপার সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত কোন একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। আদৌ এ সব হত্যাকাণ্ডের কোন বিচার হবে কিনা তা নিয়ে নিহতদের পরিবারবর্গ উদ্বিগ্ন।
বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দলীয় কর্মীর ন্যায় ব্যবহার করছে। বিরোধী দলকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না। এমনকি সরকার ইফতার মাহফিলের মত ধর্মীয় এবং সামাজিক কর্মসূচিও বন্ধ করে দিচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বিরোধী দল সরকারেরই একটি অংশ। কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার জুলুম-অত্যাচার চালিয়ে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে একদলীয় স্বৈরশাসন শাসন কায়েম করতে চায়। গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে মনে হচ্ছে।
সরকারের এহেন স্বৈরাচারী আচরণের কারণে অর্থনীতির চাকা স্থবির হয়ে যাচ্ছে। দেশে কোন বিনিয়োগ নেই। বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রকৃত বিরোধী দলকে রাজনীতির ময়দানে একেবারেই কোণঠাসা করার ফলে রাজনীতিতে ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সরকার একদিকে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরকে কারাগারে আটক করে রেখেছে, অন্যদিকে দুর্বৃত্তদেরকে লালন-পালন করছে। ফলে দুর্বৃত্ত ও সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকার যদি আন্তরিকভাবে গুপ্ত হত্যা বন্ধ করতে চায়, তাহলে প্রয়োজন দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা। দেশকে বিভাজনের দিকে ঠেলে না দেয়া। এ ব্যাপারে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেভাবে হয়রানি ও গ্রেফতার বাণিজ্য শুরু করেছে, তাতে সমাজের নিরীহ ও সৎ লোকেরা বেশি নিগৃহীত হচ্ছেন। গত ৭ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত এ চারদিনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথাকথিত বন্দুক যুদ্ধের নামে বিনা বিচারে সারা দেশে ১০ জন লোককে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ইতিপূর্বেও বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ শতশত নিরীহ নাগরিকদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের ঘরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আইন লঙ্ঘন করে বেপরোয়াভাবে বন্দুক যুদ্ধের নামে নাটক সাজিয়ে তাদেরকে বিনা বিচারে হত্যা করেছে। এ মুহূর্তে এ ধরনের বিনা বিচারে হত্যা ও গুপ্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধ হোক এটাই জাতির দাবি।
পবিত্র রমজান মাসে মানুষ প্রশান্তির সাথে রোজা পালন করতে চান। কিন্তু পুলিশের এ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত সাঁড়াশি অভিযানের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাই আমি আবারও দুর্বৃত্ত ও সন্ত্রাস দমনে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানাচ্ছি। ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে পবিত্র রমজান মাসে প্রশান্তির সাথে রোজা পালন করতে পারেন সেজন্য পুলিশের হয়রানি বন্ধ করা উচিত। সেই সাথে দেশবাসীকে সরকারের জুলুম-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।”

রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬

আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান: শিবির


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযানের নামে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানী ও পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্যের নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে সহকারী প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে আজ (শনিবার) এমন দাবি করেছে শিবির।
প্রেসবার্তায় বলা হয়, সরকারের সীমাহীন ব্যর্থতা আড়াল করতে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযানের নামে নির্বিচারে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে আটক –হয়রানী এবং পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্য চলছে।
যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আগাম ঘোষণাদিয়ে এই বিশেষ গ্রেপ্তার অভিযান জাতির সাথে প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। এ পর্যন্ত সাধারণ ছাত্র ও ছাত্রশিবিরের অসংখ্য নেতা-কর্মীসহ তিন সহস্রাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তারা বলেন, জঙ্গিবাদ ও টার্গেট কিলিং রোধ করার নামে এ সাঁড়াশি অভিযান ঘোষণাকরা হলেও, উল্টো গ্রেপ্তার ঘোষণার পরই পাবনায় এক আশ্রমের সেবককে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য খুনের মত এই খুনের সাথে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
প্রেস বার্তায় দুই শিবির নেতা আরও বলেন, এটা এখন জাতির কাছে স্পষ্ট যে নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল, বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের দমন ও পুলিশকে গ্রেপ্তার বাণিজ্যের সুযোগ করে দিতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। অন্য দিকে এই অভিযান প্রচলিত আইনের সাথেও সাংঘর্ষিক।
তারা বলেন, সম্প্রতি উচ্চ আদালতেরদেয়া এক রায়ে বলা হয়েছে যে, বিনা কারণে বা ওয়ারেন্ট না থাকলে ৫৪ ধারায় কাউকে আটক বা হয়রানী করা যাবেনা। সুতরাং সরকারের নিদের্শে পুলিশের এই অভিযান সম্পূর্ণ বেআইনি। এই অভিযানে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে চলেছে স্বয়ং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যা আরেকটি অপরাধ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার পুলিশকে দলীয় কর্মীদের মত ব্যবহার করছে,আর পুলিশও নিজেদের দায়িত্ববোধকে জলাঞ্জলি দিয়ে সেবাদাসের ভূমিকা পালন করছে। গুটিকয়েক সন্ত্রাসী বা জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করতে নিরপরাধ হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা কোনভাবেই যৌক্তিক হতে পারেনা।
তারা অভিযোগ করেন, বেআইনি গ্রেপ্তার ও অবিচারের মাধ্যমে নিরপরাধ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের কারাগারে রাখলেও সন্ত্রাসীদের লালন পালন করছে সরকার। এই বেআইনি গ্রেপ্তার অভিযান দেশে ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া আইনশৃঙ্খলা অবস্থার উন্নতিতে কোন ভূমিকা পালন করবে কিনা, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।
শিবির নেতারা পবিত্র রমজান মাসে নিরপরাধ মানুষকে এভাবে হয়রানী না করে অবিলম্বে অভিযানের নামে এই রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক হয়রানী বন্ধ করার দাবি জানান। নৃশংস হত্যাকান্ড নিয়ে অসভ্য রাজনীতি না করে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১৬

শিবিরের বিবৃতিঃ শিবির নয়, ছাত্রসেনা’র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল আটক আবু নছর।


বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে আটককৃত আবু নছর গুন্না কে সাবেক শিবির কর্মী আখ্যা দিয়ে কতিপয় গণমাধ্যমে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে প্রচারিত সংবাদ ও উপ-পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর সভাপতি সালাউদ্দিন মাহমুদ ও সেক্রেটারী নাজিব আহসান।
বুধবার রাতে সংবাদপত্রে পাঠানো যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় শিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, পুলিশ সুপারের স্ত্রী হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে আটক মাজারের খাদেম আবু নছর এর সাথে ছাত্রশিবিরের কখনো কোন রকম দূরতম সম্পর্ক অতীতেও ছিল না বর্তমানেও নেই।
তার পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে তিনি ছাত্রজীবনে ইসলামি ছাত্রসেনার রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। একই সাথে ইসলামী ফ্রন্টের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ব্যক্তিরাই দেশের আপামর মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে পুঁজি করে তা নিয়ে রীতিমত মাজার, পীর ইত্যাদির মুরিদ সেজে ব্যবসা করে যাচ্ছে।
তাছাড়া ছাত্রশিবিরের কোন নেতা কর্মী মাজার কিংবা পীর পূজায় বিশ্বাস করে না বরং এক আল্লাহর প্রতি অটল বিশ্বাসী। তাছাড়া পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যাকান্ডে যখন জাতি শোকাহত তখন এ ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন না করে বরং ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এ ঘটনায় আটক হওয়া মাজারের খাদেম আবু নছর কে শিবির পরিচয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট বক্তব্য প্রচার করে যাচ্ছে সিএমপি’র দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
এক্ষেত্রে তারা নিরপেক্ষ অবস্থানের বদলে দলকানা ও নিচু মানষিকতার পরিচয় দিয়েছেন। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এমন ভিত্তিহীন বক্তব্য জাতি কখনো প্রত্যাশা করে না।‘হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেল উদ্ধার ও খুনিরা জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা দিয়ে পালিয়েছে। তাই ঘটনার সাথে শিবির জড়িত’ পুলিশ কমিশনারের এমন যুক্তি একেবারেই হাস্যকর যা একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার দায়িত্বহীন আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন একজন সাহসী জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজনীতি দুঃখজনক। এ থেকে প্রমাণিত হয়, কোন ঘটনা ঘটলেই তার দায় জামায়াত-শিবিরের উপর চাপানোর যে প্রবণতা, তা থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো বের হতে পারে নি। প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করার আগেই এহেন অপপ্রচার প্রমাণ করে কোন অদৃশ্য মহলের ইশারায় পুলিশ সত্যকে আড়াল বা ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাইছে। একটি নির্মম হত্যাকান্ড নিয়ে তাদের ঘৃণ্য অপতৎপরতার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন কোন ঘটনা ঘটলেই কিছু পুলিশ কর্মকর্তার আগ বাড়িয়ে মন্তব্য যেমন ন্যায় বিচারকে বাধাগ্রস্থ করে তেমনি খুনিদেরও উৎসাহিত করে। এই বর্বর ঘটনা নিয়ে পুলিশের অপরাজনীতির অপচেষ্টার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে পুলিশের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি। একই সাথে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম গুলোকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করার আহ্বান জানান।

কূটনীতিকগণের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল পুলিশের হস্তক্ষেপে বন্ধ হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা


বাংলঅদেশ বার্তাঃ ০৯ জুন হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ কর্তৃক বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকগণের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল পুলিশের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও কূটনীতিকগণের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছিল। কিন্তু ইফতার মাহফিলের ঠিক আগের রাতে পুলিশের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে হোটেল কর্তৃপক্ষ স্থানের অনুমতি বাতিল করতে বাধ্য হন।
বর্তমান সরকার ইফতার মাহফিলের মত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান পর্যন্ত সহ্য করতে পারছে না। সরকার গণবিচ্ছিন্ন হয়ে একদলীয় শাসনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এটা তারই আরেকটি প্রমাণ। গণতন্ত্রের কফিনে সর্বশেষ পেরেক ঢুকিয়ে সরকার স্বৈরাচারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ একদলীয় শাসন কখনো মেনে নিবে না।
তাই গণতন্ত্র হত্যা করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক সকল মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পুলিশের অযাচিত হস্তক্ষেপে হোটেল কর্তৃপক্ষ স্থানের অনুমতি বাতিল করে দেওয়ায় আমরা সঙ্গত কারণেই আমাদের প্রোগ্রামটি বাতিল করতে বাধ্য হই। আমরা আমাদের অপারগতার কারণে আমন্ত্রিত কূটনীতিকগণের নিকট দুঃখ প্রকাশ করছি।”

মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬

চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী খুনের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ


বাংলাদেশ বার্তাঃ চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যাকান্ডের সাথে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যাকান্ডে যখন জাতি শোকে মুহ্যমান তখন এই ঘটনা নিয়ে নোংড়া অপপ্রচার শুরু করেছে পুলিশ কমিশনার। এক্ষেত্রে তিনি নিরপেক্ষ অবস্থানের বদলে দলীয় ও নিচু মানুষিকতার পরিচয় দিয়েছেন। একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেক এমন ভিত্তিহীন বক্তব্য জাতি প্রত্যাশা করে না।
‘খুনিরা জামায়াত অধ্যষিত এলাকা দিয়ে পালিয়েছে। তাই ঘটনার সাথে শিবির জড়িত' পুলিশ কমিশনারের এমন যুক্তি হাস্যকর। হত্যাকারীরা কোন এলাকা দিয়ে পালিয়ে গেলেই সেই এলাকাবাসী কি অপরাধী হয়ে যাবে?
তিনি আরো বলেছেন, 'শিবিরের সাবেকরাই জেএমবি গড়ে তুলেছে' কমিশনারের এই বক্তব্য ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ছাত্রশিবির জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করেনা। জেএমবির সাথে ছাত্রশিবিরের কোন কালেই কোন রকম সম্পর্ক ছিলনা এবং আজও নেই। বরং জেএমবির শীর্ষ নেতারা কোন আওয়ামী মন্ত্রী-এমপির নিকট আত্বীয় তা দেশবাসী জানে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর হত্যাকান্ড নিয়ে রাজনীতি দুঃখজনক। এ থেকে প্রমাণিত হয়েছে, কোন ঘটনা ঘটলেই তার দায় জামায়াত-শিবিরের উপর চাপানোর যে প্রবণতা, তা থেকে পুলিশ এখনো বের হতে পারেনি। প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করার আগেই এই অপপ্রচার প্রমাণ করে কোন মহলের ইশারায় পুলিশ সত্যকে আড়াল বা ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাইছে। একটি নির্মম হত্যাকান্ড নিয়ে তাদের ঘৃণ্য অপতৎপরতার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানানেই।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, কোন ঘটনা ঘটলেই কিছু পুলিশ কর্মকতার আগ বাড়িয়ে মন্তব্য যেমন ন্যায় বিচারকে বাধাগ্রস্থ করে তেমনি খুনিদেরও উৎসাহিত করে। ছাত্রশিবির চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তারকে কাপুরুষচিত ভাবে হত্যার তীব্র নিন্দা জানায়। একই সাথে এই বর্বর ঘটনা নিয়ে পুলিশের অপরাজনীতির অপচেষ্টারও নিন্দা জানায়। আমরা অবিলম্বে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে পুলিশের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত খুনিদেরকে খুজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।

সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬

রমজানকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে শিবিরের র‌্যালী


বাংলাদেশ বার্তা; ০৬ জুন ২০১৬ইংঃ  আহলান সাহলান, মাহে রমাদান। পবিত্রতা ও সংযমের মাস মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী উত্তর।
সোমবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খানের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‌্যালীটি রাজধানীর বসুন্ধরা গেট এলাকা থেকে শুরু হয়ে কুড়িল চৌরাস্তায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের শুরুতেই শাহীন আহমেদ খান ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দেশবাসী এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস, রমজান মাস তাকওয়া অর্জনের মাস, সংযমের মাস। আজকে ঝঞ্জাবিক্ষুব্ধ এই পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে রমজান যেই শিক্ষা নিয়ে এসেছে সেই শিক্ষাকে আমাদের গ্রহন করতে হবে। এই শিক্ষাকে গ্রহন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল সমগ্র বিশ্ব তথা বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে সকল সিনেমা হল বন্ধ এবং দিনের বেলা হোটেল রেস্তোঁরা বন্ধ রাখতে এলার্ট জারি করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বর্ণাঢ্য র‌্যালীতে শাখা সভাপতি হাসান জারিফ, সেক্রেটারি জে. মাহমুদ ছাড়াও শাখা দপ্তর সম্পাদক আজিজুল ইসলাম সজিব, অর্থ সম্পাদক জাকের হোসাইন, আইন সম্পাদক দোলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য মহানগরী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয় ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয় -------শিবির সেক্রেটারী জেনারেল


বাংলাদেশ বার্তাঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, আজকের মেধাবীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পারে। যদিও বাংলাদেশে মেধাবী নাগরিকের অভাব নেই। কিন্তু নৈতিকতা সম্পন্ন মেধাবী নাগরিকের অভাব প্রকট। মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয় ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
তিনি আজ ছাত্রশিবির গাজীপুর জেলা আয়োজিত এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শাখা সভাপতি বাসেত মোল্লা’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক শাহিন আহমেদ খান।
শিবির সেক্রেটারী জেনারেল বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরেও বাংলার বুকে নির্যাতিত, নিপিড়িত, ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকার মুছে যায়নি। অথচ আমাদের রয়েছে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশাল জনশক্তি ও মেধাবী নাগরিক। কিন্তু নৈতিকতাহীন নেতৃত্ব ও দায়িত্বহীনতার কারণে দেশের মানুষ তাদের অধিকার থেকে চরম ভাবে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে যেখানে প্রতিদিন এগিয়ে যাবার কথা ছিল সেখানে প্রতিদিনই আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। এতে সুবিদাবাদীদের স্বার্থ উদ্ধার হলেও হতাশ ও ক্ষুদ্ধ দেশ প্রেমিক জনগণ। আজকের মেধাবীদের এই হতাশা মুছে দেয়ার দায়িত্ব নিতে হবে। 
তিনি মেধাবীদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশ দূর্নীতি আর অপশাসনে গ্রাস করলেও আমরা হতাশ নই। আজকের মেধাবীদের সাফল্য আমাদেরকে আশান্বিত করেছে। ছাত্রশিবির জাতিকে মেধা ও নৈতিকতা সম্পন্ন নাগরীক উপহার দিতে বাংলার প্রতিটি জনপদে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু যোগ্য নাগরিকই নয় বরং দুনিয়া ও আখিরাতে সফল মানুষ গড়তে ছাত্রশিবিরের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। আর জাতি এমন নাগরিকই প্রত্যাশা করে। দুনিয়া ও আখিরাতের সফল একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ছাত্রশিবিরের প্রচেষ্টার সাথে হাত মিলিয়ে সহযোগিতা করতে আমরা মেধাবীদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

কুরআন নাজিলের মাস মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষার আহ্বান -মকবুল আহমাদ ভারপ্রাপ্ত আমীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী


বাংলাদেশ বার্তাঃ মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা এবং তাকওয়া ভিত্তিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে আত্মগঠনের জন্যে সযত্ন প্রচেষ্টা চালাবার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ আজ ৪ জুন নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনঃ-

“রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে মাহে রমযান আবার সমাগত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, এ মাসের প্রথম অংশ রহমতের, মধ্যবর্তী অংশ মাগফিরাতের ও শেষ অংশ নাজাতের। এ মাসের শেষ দশ দিনের মধ্যে রয়েছে একটি বরকতময় রাত যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ মাসে একটি ফরজ কাজ আঞ্জাম দিলে অন্য মাসের ৭০টি ফরজ কাজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়; আর ১টি নফল কাজের আঞ্জাম দিলে ফরজ কাজের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়। এ মাস সবর ও পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীলতার মাস। এ মাসটি পূর্ণ মর্যাদাসহকারে পরিপূর্ণ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি। 
পবিত্র এ রমযান মাস কুরআন নাজিলের মাস। কুরআন মানবজাতির প্রতি আল্লাহ তায়ালার সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। পবিত্র কুরআন অধ্যয়নের মাধ্যমে কুরআনকে সঠিকভাবে জানা এবং সেই অনুযায়ী নিজের ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে পবিত্র রমযান মাসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা সম্ভব। কুরআন থেকে হেদায়াত লাভের জন্য যে মনমানসিকতা ও চরিত্রের প্রয়োজন, সেই মন ও চরিত্র সৃষ্টির জন্য আল্লাহ তায়ালা মাহে রমজানের রোজা পালনকে আমাদের প্রতি ফরজ করেছেন। এক মাসব্যাপী রোযা পালনের মাধ্যমে সে লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হওয়ার জন্য আমি সকলের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। 
রমযানের পবিত্রতা রক্ষা, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও নগ্নতা বন্ধ করার দায়িত্ব সরকারের। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে রেখে ও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করে মানুষের জানমাল-ইজ্জতের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব সরকারের। এ দায়িত্ব পালনের জন্য আমি আহবান জানাচ্ছি। 
রোজাদারদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রেখে অধিক মুনাফা লাভের মানসিকতা পরিহার করার জন্য আমি দেশের ব্যবসায়ী মহলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

শুক্রবার, ৩ জুন, ২০১৬

বাজেট নিয়ে শিবিরের প্রতিক্রিয়া


বাংলাদেশ বার্তাঃ  লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা আর জনগণকে শোষন করার হাতিয়ার এই গণবিরোধী বাজেট
অবৈধ সরকার নিয়ন্ত্রিত সংসদে পেশকৃত ২০১৬-১৭ সালের বাজেটকে লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা ও জনগণকে শোষন করার হাতিয়ার উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, এই জনবিরোধী বাজেটের মাধ্যমে ভারসাম্যহীন অর্থমন্ত্রী ও অবৈধ সরকারের চরম অযোগ্যতার বহি:প্রকাশ ঘটেছে। জনগণকে ধোকা দিতে ৩ লক্ষ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। অথচ ৯৭ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকার ঘাটতিই রয়েছে। ফলে দেশ বিদেশ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হবে সরকারকে। সুতরাং এই বাজেট ঋণ নির্ভর। আর এই বিশাল ঋণের বোঝা বহন করতে হবে জনগণকে। শিক্ষা খাতে বরাদ্ধ বাড়লেও তা অপ্রতুল। তারউপর আমদানি করা প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি শিক্ষার পাঠ্য বাইয়ের ওপর আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। 
অন্যদিকে বাজেটে ২০১৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের নামে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেনী করার ফলে শিক্ষকদের উল্লেখ যোগ্য অংশ বেকার হয়ে পড়বে, অবকাঠামো সংকটসহ শিক্ষা ক্ষেত্রে এক ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। মোবাইল ১০০ টাকা কথা বললে সরকারকে দিতে হবে ২১ টাকা। অথচ মোবাইল ধনী গরিব সবার জন্য নিত্য প্রয়োজনিয় জিনিস। মূলত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে জনগণর উপর করের বোঝা চাপানো হয়েছে। সুতরাং বিশাল বাজেটের আড়ালে এই বাজেট জনগণের সাথে প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। অন্যদিকে নানা কৌশলে লুটেরাদের ছাড় দেয়া হয়েছে এবং আরও লুটপাটের রাস্তা সহজ করে দেয়া হয়েছে। জনগণের কষ্টের টাকা দিয়ে সরকারের অনুরাগী ও লুটেরাদের পকেট ভারী করার পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
অথচ জাতির কারীগর এমপিওভুক্তির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন নন-এমপিও শিক্ষকরা। আমরণ অনশন, অবস্থান ধর্মঘট, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিভিন্ন সময়ে তারা স্মারকলিপি দিয়েছেন এই দাবিতে। তারপরও নতুন (২০১৬-১৭) অর্থবছরের বাজেটে নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি অথবা বাড়তি ভাতার ব্যবস্থা করতে কোনও বরাদ্দই রাখেননি অর্থমন্ত্রী। একই ভাবে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি হলেও এ সমস্যা নিরসনে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। মূলত বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। দেশের জনগণের প্রতি এ সরকারের কোন দায়বদ্ধতা নেই। শিক্ষার্থীদের প্রতিও তাদের দায়বদ্ধতা নেই। সুতরাং নূন্যতম সচেতন নাগরীক এই বাজেট মেনে নিতে পারেনা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এতি মধ্যেই এই গণবিরোধী বাজেট বিভিন্ন সংস্থা, দল ও জনগণের পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার পরামর্শ ও দাবীকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে বাজেটে। দেশের বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন হিসেবে আমাদের প্রস্তাবনা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিকে ডিজিটালাইজড করতে হবে। সাম্প্রতিক আবিষ্কার ও গবেষণামূলক তথ্য এবং উপকরণের যোগান নিশ্চিত করতে অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটসহ অন্যান্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে জাতীয় উন্নয়নে ব্যবহার করার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা নিশ্চিত করতে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করে তাতে শিক্ষা ব্যয় কমাতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিশ্চিত করার কার্যকরী ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ শিক্ষা কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার, ১ জুন, ২০১৬

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইহুদী চক্রান্ত বাস্তবায়ন


গত শতাব্দীতেই ফাঁস হয় ইহুদীদের নীল নকশা ‘প্রটোকল’ নামক বইটি। যেখানে সারা বিশ্বকে করায়ত্ত্ব করতে ইহুদীদের দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যানের বর্ণনা পাওয়া যায়। বইটিতে অইহুদী জাতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে যতগুলো ধাপের বর্ণনা ছিলো, তার মধ্যে অন্যতম ছিলো ‘শিক্ষাব্যবস্থা’ নিয়ন্ত্রণ করা।
বইটির “শিক্ষাব্যবস্থার নয়া রুপ” অধ্যায়ে বলা হয়-
“চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে আমরা ইতোমধ্যেই উদ্দেশ্যমূলক শিক্ষাদানের ব্যবস্থা জারী করেছি। এটা করার উদ্দেশ্য হলো, অইহুদী সমাজকে চিন্তাশক্তিহীন অনুগত পশুর স্তরে নামিয়ে আনা যেন, তাদের চোখের সামনে কোন কিছু পেশ না করা পর্যন্ত তারা নিজস্ব চিন্তার সাহয্যে কোন ধারণাই পোষণ করতে না পারে।.......আমরা অবশ্যই তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন সব মূলনীতি শামিল করবো যা প্রচলিত শিক্ষানীতিকে সম্পূর্ণরুপে অচল করে দিবে।”
বর্তমানে বাংলাদেশে যে শিক্ষাব্যবস্থা চলছে, তা ঐ ইহুদী প্রটোকলের অনুসরণ মাত্র। এই শিক্ষাব্যবস্থায় একদিকে যেমন ছাত্র-ছাত্রীদের ধর্মীয় অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে এমন উদ্ভট সিস্টেম চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে যেন শিক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞান বুদ্ধি লোপ পেয়ে তারা পশুর স্তরে নেমে আসে।
গতকাল থেকে ফেসবুকে মাছরাঙ্গা টিভির একটি ভিডিও প্রতিবেদন ভাইরাল হয়েছে (https://youtu.be/8YCvdpZWTdw), যেখানে দেখা যাচ্ছে সর্বোচ্চ নম্বর এ+ পাওয়ার পরও ছাত্র-ছাত্রীরা খুব সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছে না। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসতে পারে, এ বছর যে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন ছাত্র-ছাত্রী এ+ পেয়েছে তাদের অধিকাংশের অবস্থা কি ঐ মাছরাঙ্গা টিভিতে প্রদর্শিত ছাত্র-ছাত্রীদের মত ? যদি তাই হয়ে থাকে তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যত কোথায় দিয়ে দাড়াবে একবার ভেবেছেন কি ?
বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার দিতে তাকালে আমরা পাই-
১) উদ্দেশ্যমূলক সিলেবাস। এখানে একদিকে ইসলামী পাঠ্যগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্রবেশ করানো হয়েছে হিন্দুত্ববাদ।
২) ইতিহাস করা হয়েছে বিকৃত। প্রকাশ্যে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে- ৪৭ এর দেশভাগ করা ঠিক হয়নি।
৩) পড়ানো হচ্ছে রাধা-কৃষ্ণের লীলাখেলা, রামায়ন, পাঠাবলীর নিয়মকানুন। প্রবেশ করানো হয়েছে রুদ্র শহীদুল্লাহ’র মত সিফিলিস রোগীর কবিতা।
৪) পড়ানো হচ্ছে আনিসুজ্জামান. জাফর ইকবাল, সনজিদা খাতুন, সেলিনা হোসেন, হুমায়ুন আজাদদের মত প্রকাশ্য বাম-নাস্তিকদের গল্প-কবিতা।
৫) এক ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ইসলাম ধর্ম বইয়ে করা হয়েছে ৫৮টি ভুল।
৬) নবম-দশম শ্রেণীর হিসাববিজ্ঞান বইয়ের ব্যবহৃত অধিকাংশ নামের সাথে বিষ্ময়করভাবে দাস-রায়-কুমার-পাল-চন্দ্র রয়েছে। (http://goo.gl/AjIE3P)
৭) শিক্ষা সংক্রান্ত যে কতক আইন ধর্মের পক্ষে রয়েছে সেগুলোও ভঙ্গ করা হচ্ছে। যেমন বলা হয়েছে- কোন শিক্ষক ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করলে তার শাস্তি হবে, ছাত্রকে মারধর করলে তার শাস্তি হবে। কিন্তু কিছুদিন আগে নারায়নগঞ্জে শ্যামল কান্তি নামক এক শিক্ষকের ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই সেই আইন ভঙ্গ করেছে। একই ঘটনা ঘটেছে ঢাকা কমার্স করেছে। প্রকাশ্যে অশোভন আচরণ করায় কলেজ কর্তৃপক্ষ কয়েক শিক্ষার্থীকে টিসি দিয়েছে। অথচ সেই শিক্ষামন্ত্রী আইন ভেঙ্গে, কলেজ কর্তৃপক্ষকে ডিঙ্গিয়ে ফের ছাত্র-ছাত্রীদের পুনঃঅবস্থানে ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রকাশ্যেই বলেছে- “ প্রেম করা দোষের কিছু নয়”। 
৮) বাংলাদেশের শিক্ষা সেক্টরকে বানানো হয়েছে হিন্দুদের ডিপো (http://goo.gl/Q9MBpO )।
৯) এইবার এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলা প্রশ্নে ঢাকা বোর্ডে ছাত্রদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে ‘হুজুদের দাড়ি ধরে কিভাবে হ্যাচকা টান দিতে হয়’, অন্যদিকে চট্টগ্রাম বোর্ডের প্রশ্নে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে- মুসলিমরা নিমক হারাম, যেই হিন্দু তাকে আশ্রয় দিয়েছে তাকেই সে কুপিয়ে হত্যা করেছে।’
১০) সৃজনশীল প্রশ্নের নামে ছাত্র-ছাত্রীদের বানানো হয়েছে গিনিপিগ। শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ ও কথিত শিক্ষাবিদ (জাফর ইকবাল ও প্রথম আলো গং) -দের যখন যা মনে চেয়েছে তারা তাই ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পরীক্ষা করেছে।
১১) সর্বশেষে ছাত্রজীবন ধ্বংস করে দিয়েছে প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস। প্রত্যেক পরীক্ষার আগের রাতেই ফেসবুকে মিলেছে প্রশ্ন, এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে উত্তরও দেওয়া ছিলো। প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তির কথা উল্লেখ থাকলে, নতুন খসড়ায় তা বিষ্ময়করভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে।
উপরের আলোচনা দ্বারা এটাই প্রতীয়মান হয়, শিক্ষানীতি নিয়ে ইহুদীদের সেই নীলনকশা তথা প্রটোকল বাস্তবায়ন চলছে বাংলাদেশে। দেশের ভবিষ্যত ছাত্র সমাজকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইহুদী বর্ণিত ‘চিন্তাশক্তিহীন অনুগত পশুর স্তরে’। মূলতঃ এই বাস্তবায়নের প্রধান চাবিকাঠী হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও কথিত সেক্যুলার শিক্ষাবিদ গং। ইহুদী মোসাদের সাথে মিটিং করার কারণে যদি আসলাম চৌধুরীর নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হতে পারে, জেল-জরিমানা হতে পারে, তবে যে নুরুল ইসলাম নাহিদ গং ইহুদীদের শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করছে এবং দেশের কোটি কোটি নিরপরাধ ছাত্র-ছাত্রীদের বুদ্ধিবৃত্তিক পঙ্গু বানিয়ে দিচ্ছে, পুরো জাতির ভবিষ্যতকে ধ্বংস করার নিকৃষ্ট চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে, তবে তাদের কেন বিচার হবে না ? তাদের নামে কেন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হবে না ? কেন তাদের ফাঁসিতে ঝুলানো হবে না ? জাতির বিবেকের কাছে আমার এই প্রশ্ন ।