ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৪

ভূঞাপুরে নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা সংখ্যালঘু ভোটারদের!


এবার সংখ্যালঘুরাও আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দিলো। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় হিন্দু অধু্যষিত ফলদা ইউনিয়নের ফলদা গ্রামে মন্দির পোড়ানোর ঘটনার প্রধান আসামী আওয়ামী লীগের শীর্ষ এক নেতাকে গ্রেফতার না করায় ও নিরাপত্তাজনিত কারণে নির্বাচন বর্জন করেছে সহস্রাধিক হিন্দু ভোটার।
তারা নির্বাচনে ভোট দান থেকে বিরত থাকবেন। এবিষয়ে ২৫০জন সংখ্যালঘু ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ আজ বিকেলে টাঙ্গাইল রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো.আনিছুর রহমান মিঞা ও ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার মো.হেলালুজ্জামান সরকারের কাছে জমা দিয়েছেন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্মরণ দত্ত। 

বিস্তারিত: http://goo.gl/4b9lJi

শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৪

চট্টগ্রামে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহবান ২৫০ শীর্ষ আলেমের

মহিউদ্দীন জুয়েল, চট্টগ্রাম থেকে | ৪ জানুয়ারি ২০১৪, শনিবার, 
সারাদেশে আজ রোববার অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনকে বয়কট করার আহবান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ আলেমরা। পুরো প্রক্রিয়াটিকে একতরফা তামাশার নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন তারা। শনিবার সন্ধ্যায় মানবজমিনের চট্টগ্রাম অফিসে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই কথা জানান অন্তত ২৫০ জন শীর্ষ আলেম ও ওলামা। বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন বর্জন করে ইসলামবিরোধী কর্মকা- ও সকল গণহত্যার সমুচিত জবাব দিন। জনগণের মতামতকে পদদলিত করে, সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল ও অধিকাংশ রাজনৈতিক দলকে বাইরে রেখে, জেদ, হঠকারিতার পথ ধরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া একতরফা তামাশার নির্বাচন দেশকে ভয়াবহ নৈরাজ্য, অভিশপ্ত একদলীয় শাসন ব্যবস্থার অন্ধকারে দিকে ঠেলে দেবে। আমরা দেশ-বিদেশে প্রত্যাখ্যাত ও প্রহসনমূলক এই নির্বাচন বর্জনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বিবৃতিদাতারা হলেন মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা আবদুল মোমেন খলিফায়ে মাদানী, মাওলানা হাফেজ শামসুল আলম, মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা আবদুল মালেক হালিম, মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা মুনিরুজ্জামান সিরাজী, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর, মাওলানা আবদুর রহমান হাফেজ্জী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা মুফতি মোজাফফর, মাওলানা মোস্তফা আজাদ, মুফতি মাহফজুল হক, মুফতি আবুল হাসান, মাওলানা ইয়াকুব, মাওলানা মোস্তাক আহমদ, মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব, মাওলানা মুহিবুল হক, মাওলানা ইসমাঈর নুরপুরী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা আতাউর রহমান প্রমুখ।

নির্বাচন বর্জনে একমত সুশীল সমাজ

বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচন বর্জনের আহ্বানের সঙ্গে ঐক্যমত পোষণ করেছেন দেশের সুশীল সমাজের প্রায় সব প্রতিনিধিরা। এর আগে সাংবাদিক সাহিত্যক ও বুদ্ধিজীবীরাও নির্বাচনকে না বলেছেন। [ (letest news) একতরফা প্রহসনের নির্বাচনের খবর জানতে like দিন একটি সুন্দর পৃথিবীর জন্য ] রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের একদিন আগেও দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের কাছে এই নির্বাচন না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এই সময় সবার অংশগ্রহনের মাধ্য দিয়ে একটি গ্রহনযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন। পৃথিবীর সব দেশও এই নির্বাচন থেকে ইতিমধ্যেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। একটি অর্থবহ নির্বাচনের তাগিদ দিয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আরও বলেছেন, দেশের প্রায় ৫ কোটি ভোটার ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এই প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করুন। নির্বাচনের নামে দেশের তহবিল থেকে ৫শত কোটি টাকা খরচেরও একদিন জবাবদিহি করতে হবে। শনিবার সকালে এ বিষয়ে প্রাইমনিউজ.কম.বিডি’র সঙ্গে কথা বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন, অর্থনীতিবীদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. আকবর আলী খান, সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, ড. শাহদিন মালিক, সাংবাদিক ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী, ড. মাহফুজউল্লাহ, মাহফুজ আনাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মনিরুজ্জামান মিয়া, এস.এম.এ ফায়েজ, অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, ড. আসিফ নজরুল, কবি আল মাহমুদ, আব্দুল হাই শিকদার, চলচ্চিত্রকার চাষী নজরুল ইসলাম ও গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন প্রাইমনিউজ.কম.বিডিকে বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারা অংশগ্রহন করছে না, সে তালিকা অনেক লম্বা হবে। কারা অংশ নিচ্ছে এই নির্বাচনে? আওয়ামী লীগ আর তাদেরে লেজুরবৃত্তিক দু’য়েকটি দল ছাড়া কাউকেই পাবেন না। তাদের গৃহপালিত দল জাতীয় পার্টিও আজ তাদের সঙ্গে নেই। তাহলে এই নির্বচন কি অর্থবহ হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশ কি বলছে, মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে না? তাহলে কেন আমরা পাঁচ বছর পর সব দলের অংশগ্রহনে একটি নির্বাচন করতে পারবো না। কেন এই নির্বাচনের নামে পাঁচশ কোটি টাকা খরচ করতে হবে। অবৈধ এই নির্বাচনের কি প্রয়োজন?’ অর্থনীতিবীদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘আজ আমার বাংলা জনপ্রিয় সেই গানটি খুব মনে পরছে, আমার বলার কিছু ছিল না.., ভোট হয়ে গেল, শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম....। আমার মত ছোট খাট মানুষরা এই নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে এত বললো, এত লিখলো, কোন কিছুই যেন গায়ে বিধলো না। গায়ে বিধলো না বিদেশীদের আহ্বানও। এখন শুধু ঐ গানটি গাওয়া ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই।’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অর্থনীতিবীদ ড. আকবর আলী খান বলেন, ‘আমি তিনটি পাঁচ এর হিসাব জানতে চাই সরকারের কাছে। একটি হচ্ছে- কেনো আমরা পাঁচ বছর পর একটি সংসদ নির্বাচন সবাইকে নিয়ে করতে পারবো না? দুই- কেনো দেশের পাঁচ কোটি ভোটার নির্বাচনে তাদের ভোট প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হবেন? তিন- কেনো এই প্রহসনের নির্বাচনে সরকারের তহবিল থেকে পাঁচশ কোটি টাকা খরচ করা হবে? এই তিন প্রশ্ন আমার সরকারের কাছে। উত্তর পেলে আমি নির্বাচনের পক্ষে মত দেব। ভোটও দেব।’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এই নির্বাচন অর্থবহ হবে না একথা যে শুধু আমি একাই বলছি তাতো নয়, সুশীল সমাজের সবারই আজ একটি কথা, একটি দাবি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- এ দাবি কার কাছে? যার বা যাদের কাছে তারাতো শুনছেন না। গায়ে মাখাচ্ছেন না। ক্ষমতার দাপটে যা মন চাইছে তাই করছেন। একদিন সামনে রেখে আমাদের এ চাওয়া শুধু হতাশা আর ক্ষোভই বাড়াতে পারবে। কার্যত কিছুই হবে না।’ ড. শাহদিন মালিক বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, সব দলকে নিয়ে একটি গ্রহনযোগ্য নির্বাচন করুন। আর সব দলকে আনতে পারলে বল সরকারের কোর্টেই থাকতো। আনতে না পারার ব্যর্থতা অবশ্যই সরকারকে বহন করতে হবে। বল বিরোধীদের কোর্টে সরকারই ঠেলে দিয়েছে। এই নির্বাচনের দায়ও সরকারকেই বহন করতে হবে।’ সাংবাদিক ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মত প্রতিষ্ঠিত এবং গণতন্ত্রের পক্ষের দল এভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে, তা আমি মানতে পারছি না। এটা আমার জন অনেক কষ্টের। কারণ আমি নিজেও এই দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কেন এই নির্বাচন করা আওয়ামী লীগের তা আমার বোধগম্য নয়। কারা এই নির্বাচনের বিষয়ে উপদেশ দিয়েছেন, কারা এর কুশিলব, তারাই এ ব্যাপারে ভালো বলতে পারবেন।’ ড. মাহফুজউল্লাহ বলেন, ‘আর মাত্র একদিন বাকি। এখন আর এব্যাপারে বলে লাভ কি? দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী, বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র কারো কথাইতো শুনলেন না প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, নির্বাচন করবেন, তাই করছেন। আমরা সবাই তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি...।’ ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘১৫৩টি আসনের প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়ে গেছেন। বাকি আছে ১৪৭টি আসনের ফলাফল। এ ফলাফলও সকলেই জানা। তাই এই নির্বাচন নিয়ে আর কথা না বলাই ভাল। কারণ কেউ যদি মনে করেন, তিনি নিজে যা করছেন তাই সবচেয়ে উত্তম, তাহলে আমরা তাকে টেনে ধারে আর অধম হবো কেন?’ এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য মনিরুজ্জামান মিয়া, এস.এম.এ ফায়েজ, অধ্যপক আনু মোহাম্মদ, আব্দুল্লাহ আবু সাইয়িদ, ড. আসিফ নজরুল, কবি আল মাহমুদ, আব্দুল হাই শিকদার, চলচ্চিত্রকার চাষী নজরুল ইসলাম ও গাজী মাঝহারুল আনোয়ার নির্বাচন বন্ধে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিএনপির নেতাদের সামনে মন্ত্রিসভার ফাঁদ!

বিএনপির নেতাদের সামনে নতুন ‘ফাঁদ’ পেতেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের সরকার। সেটা হচ্ছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেয়া। আওয়ামী লীগ চাচ্ছে, নতুন মন্ত্রিসভায় ‘অনির্বাচিত কোটায়’ বিএনপির প্রথম সারির কয়েক নেতাকে রাখতে। পাশাপাশি নতুন সরকারে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর পর্যায়ের পদে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির কয়েক নেতাকে চাচ্ছেও দলটি। আওয়ামী লীগ মনে করছে, ‘নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় বিএনপির কয়েক নেতাকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পেলে চার দিক থেকে লাভ হবে। এক, দলটিতে ভাঙন ধরানো যাবে, দুই, এতে নতুন সরকারকে জাতীয় সরকার, বা সর্বদলীয় সরকারে রুপ দেয়া যাবে, তিন, বিদেশে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে, চার, সরকার বিরোধী আন্দোলন তেমন জোরালো হবে না।’ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের তিন নেতা প্রিয় দেশ ডটনেটকে জানান, ‘বিএনপির কয়েক নেতাকে আগামী সরকারের মন্ত্রিসভায় রাখার জোর চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে দলটির কয়েক নেতাকে প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। তারা সাড়াও দিয়েছেন।’ শীর্ষ ওই তিন নেতা জানান, ‘৫ জানুয়ারির ভোটের আগেই নতুন সরকার গঠন নিয়ে পরিকল্পনা, চিন্তা শুরু করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, মহাজোটের শরীক দলের নেতারা। আগামী ২৭, ২৮ জানুয়ারি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন হতে পারে, এমনটিও ভাবছেন তারা।’ সরকারি দল আওয়ামী লীগের আরেকটি সূত্র জানায়, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের জোট অংশ না নেয়ায় দেশ, বিদেশে নির্বাচনটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় নির্বাচনে অংশ না নেয়া কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে তাই রাখার চিন্তা চলছে। তাদেরকে মন্ত্রিসভায় পেলে বিদেশে নতুন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।’ আওয়ামী লীগের শীর্ষ এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সরকার ভাবলেও বিএনপির প্রথম সারির কাঙ্খিত কোনো নেতাকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় পাওয়া যাবে কী না, এ নিয়ে সন্দেহ আছে। নির্বাচনের আগে বিএনপির কয়েক নেতাকে সদ্য গঠিত বিএনএফে যোগ দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা বলা হয়। তাদেরকে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভায় রাখার আশ্বাসও দেয়া হয়। তারা প্রথমে রাজি হলেও পরে বিএনএফে যোগ দেননি, নির্বাচনেও অংশ নেননি।’ আওয়ামী লীগের নেতাদের দাবি, ‘দশম সংসদ নির্বাচনের ৫ জানুয়ারি ভোট নেয়ার আগেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত রাজনৈতিক জোট ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। শক্ত প্রতিদ্বন্দি না থাকায় বাকি আসনগুলোতেও জয় নিশ্চিত। তাই এখন সরকার গঠন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।’উৎসঃ priyodesh

সারাদেশে ভোটকেন্দ্রে আগুন


যেন সারাদেশে ভোটকেন্দ্রে আগুন লাগানোর ধুম পড়েছে। বৃহষ্পতিবার দিববাগত রাত থেকে শুরু। বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাতে ফেনীর দাগনভুঁইয়ার ৮টি ভোটকেন্দ্রে আগুন দেয়ার সূচনা করে অজ্ঞাতরা। এরপর থেকে আগুন দেয়ার মিছিল যেন উত্তরাত্তর বেড়েই যাচ্ছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন দেয়া ভোটকেন্দ্রে গুলো হলো-
রাজধানী ঢাকার দক্ষিনখানে ১টি ভোটকেন্দ্র, বগুড়ায় শাজাহানপুরে ১, কাহালুতে ৩টি, সীতাকুন্ডে ১টি, বি,বাড়িয়ায় ১টি, বাগেরহাটে মুরালপুরে ১টি, ফেনীতে ৮টি, খুলনায় কান্দিপারায় ১টি, খুলনায় ২টি, বরিশালের বাবুগঞ্জে ১টি, চাপাই নবাবগঞ্জে ১টি, ভবেরহাট ১টি, ফরিদপুরে ১টি, নরসিংদীতে ১টি, সিরাজগঞ্জ ১টি, বাগেরহাঁট মোরেলগঞ্জে নির্বাচনী অফিসে,
রাজশাহী ৬ জেলার ১১টি, ফরিদপুরে চরভদ্রাসনে ১টি, শেরপুরে গনইবরুয়া ১টি, দিনাজপুর চাঁদগঞ্জে ১টি, যশোর মনিরামপুরে ২টি ভোট কেন্দ্র, মুলাদীতে ১টি, শৈলকুপায় ১টি ভোটকেন্দ্র, চারঘাট সরদাহ পাইলট স্কুল ভোট কেন্দ্র ও পটিয়াতে ৩ নির্বাচনী কার্যালয়।
এছাড়া শেষ খবর পর্যন্ত আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে-বগুড়ায় ৫ আ’ লীগ কর্মীর দোকান, কুমিল্লায় আ’ লীগ আফিসে।
এছাড়া, ককটেল নিক্ষেপ সাতক্ষীরা নির্বাচনী অফিসের সামনে।

শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

জনরোষের ভয়ে কেন্দ্রের নির্দেশেও মাঠে নামছে না তৃণমূল আ.লীগ !!!

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বলছে- বিরোধী দলের আন্দোলন ঠেকাতে মাঠে থাকার জন্য। কিন্তু জনরোষের ভয়ে মাঠে নামছে না তৃণমূল আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয় নেতাদের বারবার নির্দেশের পরও মাঠে নামতে সাহস করছে না নেতাকর্মীরা। - জানা গেছে- কেন্দ্র থেকে সারা দেশের মহানগরী, জেলা শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের নেতাকর্মীদের যার যার এলাকার বিরোধী দলীয় আন্দোলন ঠেকাতে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সে নির্দেশ কানেও নিচ্ছে না তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। - আর সে জন্যই সারাদেশে বিরোধী দলের আন্দোলন চাঙ্গা হলেও সরকার এখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রামে আ.লীগ প্রার্থী দিদারের হুঙ্কার! আওয়ামী ফ্যামেলীর চেয়ে কেউ বেশী বোমা বানাতে পারে না!

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের বাড়বকুন্ড স্কুল মাঠে নির্বাচনী কর্মী সভায় বক্তব্য দানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিপুল সংখ্যক র‌্যাব পুলিশের প্রহরায় অনুষ্ঠিত বিকাল ৪টার দিকে বাড়বকুন্ড স্কুল মাঠে সভা অনুষ্ঠিত হয়। চলাকালে সভাস্থলের কাছে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় নেতাকর্মীরা আতঙ্কে পালাতে থাকে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরে আবার সংগঠিত ...হয়ে সভার কাজ শুরু হয়।
জামায়াত-শিবিরকে উদ্দেশ্য করে দিদারুল আলম বলেন, দুই/একটি ককটেল মেরে আমাদের মিছিল সমাবেশ বানচাল করা যাবে না। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান, আমিও বোমা বানাতে জানি, আমার চেয়ে বেশি বোমা বানাতে পারবে না কেউ। আমরাও এর উপযুক্ত জবাব দেব।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সীতাকুন্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-বাকের ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী, আ. ম. ম দিলশাদ। অনুষ্ঠানে প্রার্থীর মুখ থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য শুনে অনেকে বিব্রত বোধ করেন।
উল্লেখ্য, তিনি সীতাকুন্ড আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের কোনো নেতা না হওয়া সত্ত্বেও হঠাৎ কেন্দ্র থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৩

রাত ১২ টার পর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী!!

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বুধবার রাত ১২টার পর থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবেন। ২০ ডিসেম্বর সশস্ত্রবাহিনী, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ৬১ জেলার রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী কাজে সহায়তা করতে ২৬ ডিসেম্বর থেকে সেনাবাহিনী মাঠে নামবে। নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা মতে, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রের জন্য ১৫ জন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ১৬ জন, মেট্রোপলিটন এলাকার ভেতরে সাধারণ ভোটারের জন্য ১৭ জন, ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের জন্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বাহিনীর ১৮ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পার্বত্য, দ্বীপএলাকা ও হাওর এলাকায় প্রতিটি সাধারণ ভোটাকেন্দ্রে ১৭ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৯ জন করে সদস্য মোতায়েন করা হবে। অন্যদিকে জেলায় এক ব্যাটালিয়ন ও থানা উপজেলা পর্যায়ে সশস্ত্রবাহিনীর দুই-চার প্লাটুন সেনা জোয়ান মোতায়েন থাকবে। তবে তারা শো অব ফোর্স হিসেবে টহলে নিয়োজিত থাকবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের আগে ও পরে পুলিশ ও আনসার বাহিনী নয় দিন নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা ভোট গ্রহণের আগের দুদিন, ভোট গ্রহণের দিন এবং ভোট গ্রহণের পরের দিন। আনসারবাহিনী নিয়োজিত থাকবে পাঁচ দিন। অর্থাৎ ভোট গ্রহণের আগের তিন দিন, ভোট গ্রহণের দিন এবং ভোট গ্রহণের পরের দিন। তথ্যমতে, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড ৩ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়োজিত থাকবে। র্যাব ও আমর্ড পুলিশ ১ জানুয়ারি খেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহন হবে। তবে ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় প্রায় ৫ কোটি ভোটার ভোট দিতে পারছে না। এখন ১৪৬ আসনে ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৭০ জন ভোটার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ভোট হবে ১৮ হাজার ১২৩টি ভোটকেন্দ্রের ৯০ হাজার ৭২৪ টি কক্ষে।

সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৩

পর্যবেক্ষক পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্রেরও ‘না’

২৩ ডিসেম্বর ২০১৩, সোমবার,
ইউরোপিয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রও নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না বলে জানিয়েছে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এ বিবৃতিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, দেশের মানুষের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ হয় এমন একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ তৈরির জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতায় আসতে পারেনি। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেন সাকি বিবৃতিতে বলেন, আর এ জন্যই বাংলাদেশে পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।