ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১ ।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০১৫

'বন্দুকযুদ্ধ'


 গত সপ্তাহে ভারতীয় পুলিশ জামায়াতে ইসলামী হিন্দের ছাত্রসঙ্গঠনের কয়েকজন ভাইকে আটক করে। হ্যান্ডকাফ পরিয়ে গাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় ঠান্ডা মাথায় তাদের গুলি করা হয়। এরপর মৃতদের হাতে একে ৪৭ ধরিয়ে দিয়ে সাজানো হয় জঙ্গি নাটক।
এদিকে জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার পর গতরাতে পুলিশ ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে শিবিরের রাজশাহী অঞ্চলের এক নেতাকে। তাকে গ্রেপ্তার করে ধরে নিয়ে যেয়ে পুলিশ অস্বীকার করে এবং গতরাতে গামছা দিয়ে পিঠমোড়া করে বাধা গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়, পুলিশ বরাবরের মতই ছোট্ট নাটক স্ক্রিপ্ট দিয়েছে মিডিয়াকে, 'বন্দুকযুদ্ধ' !
মুসলিম তরুণেরা কেন র‍্যাডিকালাইজড হচ্ছে এ নিয়ে হাজার হাজার রিসার্চ চলছে লন্ডন, নিউ ইয়র্ক আর দোহা বেইজড "থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইন্সটিটিউট" গুলোতে। মুসলিম তরুণেরা কেন এ দলে দলে এ পথে আসছে তা বোঝার জন্য এ ছবিই যথেষ্ট।
যে ভাইগুলোকে শহীদ করা হল না তারা আদৌ 'জঙ্গি' ছিলেন, না আমার আপনার মতই কোনদিন একে ৪৭ ধরেছেন। ভারতীয় পুলিশ নিজেরাই তাদের হাতে তুলে দিয়েছে অস্ত্র যাতে তাদের জঙ্গি প্রমাণ করে নিপীড়ন করা যায়। তরুণেরা এমনিতেই "র‍্যাডিকেল" হয়না।
কিছুদিন আগে নাইজেরিয়ার একটা গ্রুপ যাদেরকে মিডিয়ায় "বোকো হারাম" বলা হয় তাদের উপর কিছুটা পড়াশোনার সুযোগ হয়েছিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে আজ থেকে এক দশক আগে যদি আপনি তাকান, দেখবেন এই গ্রুপটি ছাত্রশিবিরের চেয়েও নিরীহ একটি ছাত্রসংগঠন ছিল। শিবির তো হল দখল করে, হরতাল করে, মাঝে মধ্যে ককটেল ফুটায়; "বোকো হারাম" এগুলোর মধ্যেও ছিলনা। কিন্তু যখন নাইজেরিয়ার আর্মির নির্যাতন লিমিট ক্রস করলো, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হল, এরপর আর তারা নিরীহ থাকেনি; অথবা থাকতে পারেনি।
মিসরের সিনাই বেইজড সংগঠন আনসার বাইতিল মাকদিস ২০১১ সালে শুরু হওয়ার পর খুব বড় কোন সংস্থা ছিলনা; না মিসরের সেনাবাহিনীর কোন সদস্যকে তাদের হাতে প্রাণ দিতে হত। কিন্তু যখন সিসি আর তার সেনাবাহিনী রাবেয়া স্কয়ারে হাজার নিরপরাধ ব্যাক্তিকে শহীদ করলো, ইসরাইলের জন্য সিনাইয়ের হাজার হাজার অধিবাসীকে শহীদ করা হল, পরিণামে মিসরের জন্য কি আসলো? এখন কোন সপ্তাহ অতিবাহিত হয়না যেখানে মিসরের আর্মি বা পুলিশ মারা যায়না। মিসরের আর্মির অনেক সেনা- অফিসার সেই ঘটনার পর ডিফেক্ট করে সিনাইয়ে চলে গেছেন। দেখা যাচ্ছে যে মিসরীয় আর্মি অফিসার ২০১২ সালে আর্মিতে কাজ করতেন, সেই অফিসারই ২০১৫ সালে সিনাইতে গিয়ে এখন মিসরীয় সাবেক কলিগদের উপর হামলা পরিচালনা করে।

এসব থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা না নিলে বাংলাদেশেও যে এমন পরিস্থিতি আসবেনা এমন বলা কঠিন। ৫ মে রাতের গণহত্যার কথা কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররা এখনও ভুলে যায়নি। এ দেশে সবচেয়ে বড় ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবির সশস্ত্র পথে না হাটতে চাইলেও সরকার আর তার মিডিয়া মনে হচ্ছে একে "জঙ্গী সংগঠন" হিসেবে প্রমাণ করতে বদ্ধ পরিকর। সরকারের কি কখনো ভেবে দেখেছে ছাত্রশিবিরের প্রায় এক লক্ষ সদস্য যদি আজ রাতে সিদ্ধান্ত নেয় তারা মিডিয়ার আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী 'জঙ্গী' হবে তাহলে কালকে আ'লীগ নেতারা ভারতে পালানোর সুযোগটুকু পাবেনা।
[কালেক্টেড]
ছবি: ভারতে পুলিশের গুলিতে নিহত মুসলিম ছাত্রনেতাদের একজন (হ্যান্ডকাফ লাগানো) এবং গতরাতে রাজশাহীতে পুলিশের গুলিতে নিহত শিবির নেতা

সোমবার, ২২ জুন, ২০১৫

জীবনকে ইসলামের আলোকে ঢেলে সাজাতে হবে-শিবির সভাপতি


বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, রমযান মাস আমাদের জন্য বড় নেয়ামত। এই মাসকে প্রশিক্ষণের জন্য কাজে লাগাতে হবে। নিজেদের জীবনকে ইসলামের আলোকে ঢেলে সাজাতে হবে। 
তিনি ছাত্রশিবিরের সদস্যপ্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত শিক্ষা বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর এক মিলনায়তনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাতের পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক মোবারক হোসেন, প্রকাশনা সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন, কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক মহিউদ্দন আহমেদ, সমাজসেবা সম্পাদক রাশেদুল হাসান রানা, এইচ আরডি সম্পাদক মশুরুর হোসাইন। 
শিবির সভাপতি বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সারা বছর কীভাবে পথ চলতে হবে, তার জন্য রমযানকে প্রশিক্ষণের মাস হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। এই রমযান মাসকে আমাদের উন্নত চরিত্র গঠনে কাজে লাগাতে হবে। সংযমের শিক্ষা নিয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্টীয় জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। আমরা জীবন চলায় কী ভুল করছি তা পর্যালোচনায় আনার এটাই উত্তম সময়। ভুল শুধরে নিজেকে উন্নত জীবনের অধিকারী হতে সচেষ্ট হতে হবে। 
তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে রমযান মাসকে আমাদের আরো গুরুত্বের সাথে নেয়া উচিৎ। আমরা যে যেই পেশায়ই আছি না কেন, সেই পেশায় থেকে সততার সাথে পথ চলার চেষ্টা রমযানেই শুরু করা উচিৎ। রমযানের গুরুত্ব বুঝে রাষ্ট্রীয়ভাবে যদি সংশোধনমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। 
তিনি আরো বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রমযান মাসে তাকওয়া অর্জনের জন্য তাগাদা দিয়েছেন। আল্লাহ ভীতি মানুষকে অনেক পাপ থেকে দূরে রাখতে পারে। কুরআন, হাদীস, ইসলামী সাহিত্য বেশি পড়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত আমলের মাধ্যমে আমাদেরকে তাঁর প্রিয় বান্দা হওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। রমযানে আমলের পাশাপাশি এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ইনশাআল্লাহ আমরা পরকালে নাজাত পেতে সক্ষম হবো।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শিবিরের সাথী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত কুরআনের সমাজ বাস্তবায়নে আদর্শিক ব্যক্তির বিকল্প নেই - ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাথী শপথের কর্মীদের একটাই লক্ষ্য কুরআনের সমাজ বাস্তবায়ন করা। যে সমাজ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সুখে শান্তিতে রাখবে। এজন্য নিয়মিত কুরআন হাদীসের চর্চা করা জরুরী। একমাত্র রাসুলুল্লাহ (সা:) এর আদর্শ অনুসরণে একজন আদর্শিক ব্যক্তি গঠন সম্ভব। দেশের এই পাপিষ্ট দুর্নীতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে আখেরাতের ভয় ও দেশপ্রেমকে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। তাই আদর্শিক ব্যক্তি গঠনে সকলকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহবান জানান। 
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শিবিরের উদ্যোগে দারুল হিকমা মিলনায়তনে বোয়ালখালী, চন্দনাইশ ও আনোয়ারা উপজেলার সাথীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সাথী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শিবিরের সভাপতি জাওয়াদ মাহমুদের সভাপতিত্বে জেলা সেক্রেটারী আলী আদনানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক কেন্দ্রীয় এইচ.আর.ডি সম্পাদক বদিউল আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর নুরুল হোসাইন, সাবেক জেলা সভাপতিবৃন্দ আ.ক.ম ফরিদুল আলম ও অধ্যাপক শাহাদাত হোসাইন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা শিবিরের নেতৃবৃন্দ রকিবুল ইসলাম, হাসিব আল হাসান ও মিছবাহুর রহমান প্রমুখ। 
প্রধান অতিথি আরো বলেন, কুরআনের সমাজ বাস্তবায়ন একটি কঠিন কাজ। কিন্তু ছাত্রশিবির সব সমস্যাকে সামনে রেখেই এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। কারণ ছাত্রশিবির সত্য ও ন্যায়ের পথের যাত্রী। আর সত্যর সামনে মিথ্যার পতন হবেই এটা ঐতিহাসিক বাস্তবতা। সুতরাং কোন পরিস্থিতিতে যেমন হতাশ হওয়া যাবেনা তেমনি অধৈর্যও হওয়া যাবেনা। অসীম ধৈর্য ও সাহসিকতার সাথে ছাত্রসমাজের কাছে কুরআনের আহবান পৌছাতে হবে। প্রত্যেক শপথের কর্মীকে একেক জন রাহবারে পরিণত হয়ে জনে জনে দাওয়াতী কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের রক্তচক্ষুকে ভয় না করে মহান আল্লাহর উপর ভরসা রেখেই লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। 
বক্তারা আরও বলেন, দেশের বিপন্ন গণতন্ত্র উদ্ধারে দায়িত্বশীলদের এগিয়ে আসতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন দিয়ে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রতি আহবান জানান।

মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে শিবিরের বর্ণাঢ্য র‌্যালি: নির্বিঘ্নে রোজা পালনের সুযোগ দিতে হবে : শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেছেন, দেশে ইসলামবিরোধী অপতৎপরতা ও রাষ্ট্রীয় অরাজকতায় মাহে রমজান যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন নিয়ে জাতি শঙ্কায় আছে। তাই রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিয়ে ইসলামবিরোধী সব অপতৎপরতা বন্ধ করে নির্বিঘ্নে জনগণকে রোজা পালনের সুযোগ করে দিতে হবে। 
তিনি আজ রাজধানীতে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখা আয়োজিত পবিত্র মাহে রমজানের বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন। শাখা সভাপতি এম শামিমের পরিচালনায় র‌্যালিতে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, সাহিত্য সম্পাদক মোবারক হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক রাশেদুল হাসান রানা।
শিবির সভাপতি বলেন- রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের আহ্বান নিয়ে মাহে রমজান উপস্থিত হয়েছে। কিন্তু দেশে নির্বিঘ্নে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মাহে রমজান উদযাপনের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। রয়েছে প্রতিবন্ধকতা। কুরআনের মাসে কুরআন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্বে থাকার অপরাধে দেশের শীর্ষ ইসলামী নেতৃবৃন্দকে কারাপ্রকোষ্টে আটকে রাখা হয়েছে। চলছে তাদেরকে বিচারিক হত্যার ষড়যন্ত্র। ইসলামকে বুকে ধারণ করার কারণে হাজারো ছাত্রজনতাকে কারাগারে থেকেই রোজা পালন করতে হচ্ছে। অব্যাহত রয়েছে ইসলাম প্রিয় ছাত্রজনতার ওপর জেল জুলুম নির্যাতন। 
অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, লোডশেডিং, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, দুর্বিসহ যানজট ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে মানুষ দিশেহারা। মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মাঝে দিন যাপন করছে। এ অবস্থায় নির্বিঘ্নে মাহে রমজান পালন করা কিছুতেই সম্ভব নয়। পবিত্র রমজান মাসে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মুসলিম দেশের এমন অবস্থা জাতির জন্য লজ্জাজনক।

তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনাদের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডে মুসলিম জাতি ক্ষুদ্ধ। তাই মাহে রমজানকে ইসলামীবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন। শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ নিরপরাধ ইসলামপ্রিয় ছাত্রজনতাকে মুক্তি দিন। দ্রব্যমূল্য মানুষের সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসুন। মদদ না দিয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, লোডশেডিং ও বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধ করুন। সবাইকে ইসলাম চর্চার সুযোগ করে দিন। অন্যথায় জমিনে মজলুমের আহাজারিতে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য করুণ পরিণতি নাযিল হতে পারে।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ
আজ রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখা। দুপুর দুইটায় ডেমরা এলাকায় মহানগর সভাপতি মাইনউদ্দিন মৃধার নেতৃত্বে র‌্যালিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা মহানগরী
মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রশিবির খুলনা মহানগরী শাখার উদ্যোগে শুক্রবার সকাল নয়টায় নগরীর শান্তিধাম মোড় হতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন মহানগরী সভাপতি মিম মিরাজ হোসাইন।

রাজশাহী মহানগরী
পবিত্র মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করে ছাত্রশিবির রাজশাহী মহানগরী। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইসমাঈল হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক মোঃ সাবিত মাহমুদসহ মহানগর নেতৃবৃন্দ।

টাঙ্গাইল শহর
অাজ শুক্রবার শহরে র‌্যালি করেছে ছাত্রশিবির টাঙ্গাইল শহর শাখা। শহরের ক্যাপসুল মার্কেটের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন শহর শিবির সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম।

নয়া দিগন্তের সৌজন্যে

ইয়াতিমদের নিয়ে সিলেট মহানগর জামায়াতের ইফতার মাহফিল ইসলামী রাষ্ট্র ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হবে না : এডভোকেট জুবায়ের


সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ইয়াতিমদের সাথে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্য রাখছেন মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন- মানবতার মুক্তির সনদ মহাগ্রন্থ আল-কুরআন নাযিলের মাস মাহে রমযান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাস। রমযান মাসকে একটি বছরের প্রশিক্ষণের মাস হিসেবে বলা হয়েছে। তাই পবিত্র মাহে রমযান থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষ ও শিশুদের কল্যাণে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ছাড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সামাজিক বৈষম্য ও ধনী-গরিবের ব্যবধান কমিয়ে আনতে মাহে রমযান হচ্ছে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তিনি শনিবার সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ইয়াতিমদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। মাহফিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মো: ফখরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা সোহেল আহমদ, জামায়াত নেতা ক্বারী আলাউদ্দিন, মাহমুদুর রহমান দিলোয়ার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক সফল সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি, মুসলিম উম্মাহ ও দেশ জাতির কল্যাণ সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবতার কল্যাণ নিশ্চিত করতে কোরআনের সমাজ তথা ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইসলামী রাষ্ট্র ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হবে না। কিন্তু এদেশের ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাবনাকে নিশ্চিহ্ন করার সুগভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়দীপ্ত কাফেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশূন্য করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাতি সোচ্চার রয়েছে। বিচারের নামে হত্যার ষড়যন্ত্র বন্ধ করে অবিলম্বে কোরআন নাযিলের মাস রমযানের মধ্যেই জাতীয় নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিন

ভারতের বিপক্ষে প্রথম বারের মতো সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন


মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে৬ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ১ ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান আজ ২১ জুন নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনঃ-
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে৬ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ১ ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় করায়বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আমি আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি। বিশেষ করে তরুণ ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ওয়ানডের অভিষেক ও তার পরের ম্যাচে ছয় উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন। যা বিশ্ব ক্রিকেটে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী রেকর্ড। এজন্য মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সেই সাথে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার, কোচ ও ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এ বিরাট সাফল্যে দেশবাসী সকলেই গর্বিত ও আনন্দিত। আমি আশা করি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এ সফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে জাতির মুখ উজ্জ্বল করবে এবং বিশ্ব ক্রিকেট র‌্যাংকিং-এ প্রথম সারিতে স্থান করে নিবে।
আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সার্বিক সাফল্য ও উন্নতি কামনা করছি।

মিয়ানমার থেকে বিজিবি সদস্যকে ফিরিয়ে আনার আহ্বান সরকার দ্রুত উদ্ধারের জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি : ডা. শফিকুর রহমান


কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ থেকে বিজিবি সদস্য আবদুর রাজ্জাককে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীবাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার তিন দিন অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও তাকে ছেড়ে না দেয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গতকাল শনিবার বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, টেকনাফের নাফ নদী থেকে বিজিবির নায়েক আবদুর রাজ্জাককে অপহরণ করে নিয়ে যায় মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীবাহিনী। তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও তারা আবদুর রাজ্জাককে ছেড়ে দেয়নি। উল্টো তাকে হাতকড়া পরিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। বিজিবির সদস্যের প্রতি এ আচরণ চরম ধৃষ্টতামূলক, আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং মানবতাবিরোধী কাজ। এর মাধ্যমে শুধু বিজিবিকেই নয়, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে অপমান করা হয়েছে। মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীবাহিনী কর্তৃক বিজিবি সদস্য অপহরণ ও তাকে উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সরকারের তৎপরতা মোটেই সন্তোষজনক নয়। সরকার বিজিবি সদস্য আবদুর রাজ্জাককে দ্রুত উদ্ধারের জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তিনি সরকারের এ ভূমিকার নিন্দা জানান। তাকে অবিলম্বে নিজ দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান

দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন মুজাহিদ; কাকে হত্যার দায় তার উপর চাপানো হলো: জাতির উদ্দেশ্যে তার প্রশ্ন আজ সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমার পিতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক সমাজকল্যান মন্ত্রী জনাব আলী আহসান মো: মুজাহিদের সাথে তার ৫ আইনজীবী সাক্ষাত করেছেন। সকাল ১১:২৫ থেকে ১১: ৫৫ পর্যন্ত তারা সাক্ষাৎ করেন। এই সময় আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট মশিউল আলম, এডভোকেট কামাল উদ্দিন, এডভোকেট শিশির মনির, এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ এবং ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন। এই সময় আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ বলেন, কোন বুদ্ধিজীবীকে, কখন এবং কোথায় হত্যার জন্য আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। যে অভিযোগে আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে তার কোনো উল্লেখ নেই। কারাগারে দেখা করার পর তার আইনজীবী শিশির মো: মনির সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে শিশির মনির বলেন, উনি নির্দেশ দিয়েছেন, রায়ের কপি বের হওয়ার পর যেন ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করি। জনাব মুজাহিদ রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বের হওয়ার পর আবারও আইনজীবীদের সাক্ষাত করতে আসার ব্যাপারে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন কেননা তিনি রায় প্রকাশের পর তিনি পূর্ণাঙ্গ রায় পড়ে ও বিশ্লেষণ করে তার বক্তব্য জানাবেন। রিভিউ আবেদনের মাধ্যমে বেকসুর খালাস পাবেন বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তিনি। শিশির মনির বলেন, মুজাহিদ সাহেব সুস্থ ও ভালো আছেন। তিনি দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।


আজ সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমার পিতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক সমাজকল্যান মন্ত্রী জনাব আলী আহসান মো: মুজাহিদের সাথে তার ৫ আইনজীবী সাক্ষাত করেছেন। সকাল ১১:২৫ থেকে ১১: ৫৫ পর্যন্ত তারা সাক্ষাৎ করেন।

এই সময় আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট মশিউল আলম, এডভোকেট কামাল উদ্দিন, এডভোকেট শিশির মনির, এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ এবং ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।
এই সময় আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ বলেন, কোন বুদ্ধিজীবীকে, কখন এবং কোথায় হত্যার জন্য আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। যে অভিযোগে আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে তার কোনো উল্লেখ নেই।
কারাগারে দেখা করার পর তার আইনজীবী শিশির মো: মনির সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে শিশির মনির বলেন, উনি নির্দেশ দিয়েছেন, রায়ের কপি বের হওয়ার পর যেন ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করি।
জনাব মুজাহিদ রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বের হওয়ার পর আবারও আইনজীবীদের সাক্ষাত করতে আসার ব্যাপারে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন কেননা তিনি রায় প্রকাশের পর তিনি পূর্ণাঙ্গ রায় পড়ে ও বিশ্লেষণ করে তার বক্তব্য জানাবেন। রিভিউ আবেদনের মাধ্যমে বেকসুর খালাস পাবেন বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তিনি।


শিশির মনির বলেন, মুজাহিদ সাহেব সুস্থ ও ভালো আছেন। তিনি দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।
 

মহসিন কলেজ কর্মচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে - এম.মতিউর রহমান : পবিত্র রমজান মাস আমাদেরকে গরিব-দুঃখীর কষ্ট অনুধাবনের উত্তম শিক্ষা দেয়


ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক এম.মতিউর রহমান বলেন রহমত,বরকত ও মাগফিরাতের পবিত্র এই রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি ও প্রশিক্ষণের মাস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এ মাসটির আগমন মুমিন-মুসলমানের জীবনে অধিক পরিমাণ সংযম ও ভাল কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে বহু গুণে। পূণ্যময় এই মাসে তাকওয়া এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পাশপাশি এ মাস থেকে নেয়া শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সারা বছর নিজ জীবনে লালন করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কেননা রোজার মাধ্যমে বান্দা আত্মশুদ্ধি অর্জন করে। আমাদের সমাজে কেউ অতি ধনী আবার কেউ একেবারেই না খেয়ে অনাহারে,অর্ধাহারে তাদের দিন পার করে যাচ্ছে। সমাজের বিত্তবান এসব মানুষ কখনো না খেয়ে থাকা মানুষের দিকে দৃষ্টিপাত করছে না। এর ফলে মানব সমাজে প্রচলিত পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক বৈষম্য চরম আকার ধারন করেছে। একমাত্র ইসলামী অর্থব্যবস্থায় মানুষকে এ ধরণের চরম বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে পারে। কেননা ইসলামের পঞ্চ ভিত্তির অন্যতম রোজা মানুষকে গরিব-দুঃখীর কষ্ট অনুধাবনের শিক্ষা লাভে সহায়তা করে। রোজার মাধ্যমে সহমর্মিতা ও সহনশীলতার শিক্ষা অর্জিত হয়। রমজান মাসে আল্লাহ মুমিন বান্দার রিযিক প্রশস্ত করে দেন। মানব জাতির হেদায়েতের জন্য কুরআন নাযিলের মাস রমযান মানুষকে ধৈর্য ধারনের শিক্ষা দেয়। ধৈর্য্যরে প্রতিফল হিসেবে আল্লাহর নিকট থেকে জান্নাত লাভ করা সম্ভব হবে। এজন্য পবিত্র মাসে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসে কোন রকম ভেজাল না মেশানো এবং দ্রব্যমূল্য সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জোর দাবী করেন। সে সাথে সমাজে বিত্তবানদের গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
নগরীর মহসিন কলেজ শাখা শিবিরের উদ্যোগে কর্মচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ (২০.০৬.’১৫) এসব কথা বলেন। মহসিন কলেজ শিবির সভাপতি এম.আর.সোহেল’র সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর সভাপতি নুরুল আমিন,কলেজ শিবির নেতা আর.এইচ.জিসান,এম.এস.মাহমুদ,এ.মর্তুজা,এম.জাহাঙ্গীর,সাজ্জাদুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা রমজান মাসে অধিক পরিমানে কুরআন অধ্যয়ন করার পাশাপাশি আল-কুরআনের সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

চারিত্রিক মাধুর্যতা দিয়েই প্রতিটি ক্যাম্পাসে দাওয়াত ও সংগঠনের প্রসার ঘটাতে হবে -শিবির সভাপতি


ছাত্রশিবির ঢাকা অঞ্চলের কলেজ দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, বাতিল আদর্শের অনুসারীরা পেশি ও অস্ত্রের শক্তির প্রভাব খাটিয়ে ক্যাম্পাসে অরাজকতা সৃষ্টি করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরাও বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দিব না। ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের চারিত্রিক মাধর্যতা দিয়েই ক্যাম্পাসে দাওয়াত ও সংগঠনের প্রসার ঘটাতে হবে।
গতকাল রোববার রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির ঢাকা অঞ্চলের কলেজ দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. রেজাউল করিম। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত।
শিবির সভাপতি বলেন, ক্যাম্পাসগুলো এখন আর শুধু পড়াশোনার ক্ষেত্র নয়। বরং লজ্জাজনকভাবে বিভিন্ন অপকর্মের লালন ভূমিতে পরিণত হয়েছে। সরকারের সরাসরি মদদে অবাধে চলছে টেন্ডারবাজী ও চাঁদাবাজী। সরকারের পোষ্য ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের পরস্পর ও প্রতিপক্ষের উপর হামলা হত্যা নিত্য দিনের কাজে পরিণত হয়েছে। অনেক ক্যাম্পাসকে পরিণত করা হয়েছে অবৈধ অস্ত্রের মিনি ক্যান্টনম্যান্টে। এসব ছাত্র নামধারীদের নিয়ন্ত্রণে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। প্রায়ই ক্যাম্পাসে ধর্ষণের মতো নিকৃষ্ট ঘটনার খবর শুনে জাতিকে লজ্জিত হতে হয়। সবই হচ্ছে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে। কিন্তু কেউ এসব প্রতিরোধ না করে উল্টো তাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতাই দিয়ে যাচ্ছে। কারণ রাষ্ট্রীয় শক্তি অনৈতিকভাবে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল রেখে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে ব্যস্ত। আর ছাত্রনামধারী সন্ত্রাসীরা পেশি ও অস্ত্র শক্তির প্রভাব খাটিয়ে ক্যাম্পাস দখলে রাখতে ব্যস্ত।
তিনি কলেজ দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা এভাবে আগামী প্রজন্মকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আবার সন্ত্রাসীদের মতো অস্ত্র ও পেশি শক্তি নির্ভর রাজনীতির দিকেও হাঁটতে পারি না। অথচ আগামী প্রজন্মকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা ওয়াদাবদ্ধ। তাই শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি ক্যাম্পাসে কুরআনের দাওয়াত ও সংগঠনের প্রসার ঘটাতে হবে। আর এজন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো চারিত্রিক মাধুর্যতা দিয়ে ছাত্রসমাজকে কুরআনের পথে আহবান করা। হাজারো প্রতিকূলতার পরও আমাদের অব্যাহত অগ্রযাত্রার মূল নিয়ামক হলো ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের চারিত্রিক মাধর্যতা। তাই প্রতিটি দায়িত্বশীল ও নেতাকর্মীকে কুরআনের চর্চা এবং নিজের জীবনে তা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে। আর কুরআন চর্চার জন্য পবিত্র মাহে রমযান সর্বোত্তম সময়।