ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ স

আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট দক্ষিণগাও বাজার এর পক্ষ থেকে সকল গ্রাহক, শুভাকাংখীসহ সবাইকে জানাই সালাম শুভেচ্ছা। এইগ্রুপে যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার এলাকারসকলকে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে রেমিটপন্স পাঠানোর আহবান জানাচ্ছি। রাজারবাগ, কুসুমবাগ, দক্ষিনগাও, শাহীবাগ, মানিকদিয়া, বাইকদিয়া, নন্দিপাড়াসহ সকল এলাকার গ্রাহক, শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ীদের প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলোঃ ০১৭১১-৪৫৮১৫১, ০১৭০০৯২৫২৪১ ।

রবিবার, ২৮ জুন, ২০১৫

ঝিনাইদহে জামায়াতের ১২ রোজাদার মহিলা নেত্রী-কর্মীকে গ্রেফতারের নিন্দা হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই রমযান মাসে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে -জামায়াত


ঝিনাইদহ শহর শাখা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি সুমাইয়া বেগমসহ ১২ জন মহিলা নেত্রী ও কর্মীকে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গতকাল শনিবার বিবৃতি দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেপাড়ী পাড়ার মহসিন মিয়ার বাড়ী থেকে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ঝিনাইদহ শহর জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি সুমাইয়া বেগমসহ ১২ জন রোজাদার মহিলা নেত্রী-কর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। তাদের রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এ পবিত্র রমযান মাসে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করার ঘটনার তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি আরো বলেন, ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ জামায়াতের গ্রেফতারকৃত মহিলা নেত্রী ও কর্মীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকা- এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও অলিক কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
তিনি বলেন, তারা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেপারী পাড়ার মহসীন মিয়ার বাড়ীতে মহিলাদের নিয়ে একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথের প্রতি আহ্বান জানান এবং জামায়াতের গ্রেফতারকৃত নেত্রী ও কর্মীদের অবিলম্বে নি:শর্তভাবে মুক্তি প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

রমযানের শিক্ষা ব্যক্তি জীবনে ধারণ করতে পারলেই রোজা সার্থক হবে : সেলিমউদ্দিন

জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ সেলিমউদ্দিন বলেছেন, রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মহান মাস পবিত্র রমযান। রহমতের এই ধারা অব্যাহত রাখতে রমযানের শিক্ষাকে ব্যক্তিজীবনে ধারণ করতে হবে। মু’মিনের আত্মগঠন ও ব্যক্তিচরিত্র উন্নয়নে রমযানের শিক্ষাকে কাজে লাগাতে পারলেই রোজার সার্থকতা। সেই সঙ্গে আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিয়ে ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করার শিক্ষা নিতে হবে রমযান থেকে।
গতকাল শুক্রবার জামায়াতে ইসলামী যাত্রাবাড়ী (পূর্ব) থানা আয়োজিত এক শিক্ষা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে শিক্ষা বৈঠকে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াত নেতা রুহুল কুদ্দুস, মীজানুল হক, আব্দুল করিম, মিজানূর রহমান মালেক প্রমুখ।
সেলিমউদ্দিন আরো বলেন, ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে অপপ্রচার ও জুলুম-নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। সকল নিপীড়ন উপেক্ষা করে জাতীয় মুক্তির সংগ্রামকে বিজয়ী করতেই নেতা-কর্মীদের কুরআনের শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক উৎকর্ষ সাধনে কুরআনের মাসকে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, পবিত্র রমযান মাসে আজ ইসলামপ্রিয় ও দেশপ্রেমিক নেতৃবৃন্দ কারাগারে বন্দী। তাদেরকে অন্যায়ভাবে হত্যার নারকীয় ষড়যন্ত্র করছে সরকার। নব্বইভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের ওপর এই নির্যাতন ও ষড়যন্ত্র অত্যন্ত দুঃখজনক। এভাবে চলতে দেয়া যায় না। তিনি আরো বলেন, এই রমযান মাসে বদরের যুদ্ধে হক ও বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্বে হকপন্থীদের বিজয়ের যে ইতিহাস রচিত হয়েছিলো তারই ধারাবাহিকতায় বাংলার জমীনে সকল মিথ্যাচার ও অপশক্তি নির্মূলে জনগণ আবারো ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি দেশের জনগণের ইচ্ছা-আকাক্সক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অবিলম্বে সকল নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান।

শনিবার, ২৭ জুন, ২০১৫

আল-কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রেরণা দেয় মাহে রমযান -মোবারক হোসাইন


জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোবারক হোসাইন বলেছেন, রমযান মাস মহাগ্রন্থ আল-কুরআন নাজিলের মাস। তাই এ মাসে কুরআনকে ব্যক্তিজীবন ও সমাজ জীবনে ধারণের মাধ্যমে কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। কুরআন অনুসরণ করে সমাজ পরিচালিত হলে আজকের সমাজে এত অন্যায়, অনাচার, জুলুম, নির্যাতন থাকত না।
গতকাল শুক্রবার পল্লবী থানা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাইসুল ইসলাম পবন, নওশাদ আলম, গাজী মোস্তফা কামাল, শাহজাহান খান, আব্দুল কাদের প্রমুখ।
মোবারক হোসাইন বলেন, নব্য জাহেলিয়াতের অন্ধকার থেকে মানবতাকে মুক্ত করে সমৃদ্ধ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে হক ও বাতিলপন্থীদের চিরন্তন দ্বন্দে¦র ধারাবাহিকতায় আজো ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনকে নস্যাৎ করে দিতে নানামুখী অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের পথ বেছে নিয়েছে ইসলাম বিরোধী শক্তি।
তিনি বলেন, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশের মাটিতে ইসলামপন্থী সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গের ওপর চালানো হচ্ছে জুলুম-নির্যাতন। বাতিলপন্থী জুলুমবাজ অপশক্তির মনে রাখা উচিত যুগে যুগে আল্লাহ কাফের-বেঈমানদের মিথ্যাচারকে মানুষের সামনে যেমন উন্মোচিত করে দিয়েছেন এবং সত্যকে বিজয় দান করেছেন আজও তেমনিভাবে অপপ্রচার, মিথ্যাচার, জুলুম-নির্যাতন উপেক্ষা করে আল্লাহর জমীনে তার দ্বীন প্রতিষ্ঠায় যারা কাজ করছে সময়ের ব্যবধানে আল্লাহ তাদেরকেও বিজয় দান করবেন।
মোবারক হোসেন আরো বলেন, রমযানের প্রকৃত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন করতে হবে। কুরআন অনুসরণ করে অন্যায়, অনাচার, জুলুম, নির্যাতন রোধ করে ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ছাড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি দাবি করেন যে, ‘কুরআনের জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্বে আনতে পারলেই ন্যায়-ইনসাফ ও শান্তির সমাজ বিনির্মাণ করা সম্ভব।’ এজন্য তিনি সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের আন্দোলনে শরিক হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
ভাসানটেকে ইফতার মাহফিল: জামায়াতে ইসলামী ভাসানটেক থানার রজনীগন্ধা ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক ইফতার মাহফিলের মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী ভাসানটেক থানা সেক্রেটারি আলাউদ্দিন মোল্লা। ওয়ার্ড সভাপতি ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াত নেতা শামসুর রহমান খান, আব্দুর রহিম, মোঃ আলাউদ্দিন প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০১৫

কর্মকর্তাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠান

বাংলাদেশ বার্তাঃ ২৫ জুন ২০১৫: আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম কুমিরা ক্যাম্পাস কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। 
২৪ জুন ২০১৫ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম কুমিরা ক্যাম্পাস  প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট ডিভিশন এর সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জনাব মোঃ জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 
ডেপুটি ডািইরেক্টর  জনাব ইজাবুল খালিদের পরিচালনায়  উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ক্যাম্পাস চীপ, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম কুমিরা ক্যাম্পাস,  মুখ্য বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব চৌধুরী গোলাম মাওলা, এডিশনাল ডাইরেক্টর, স্টুডেন্ট ডিভিশন। অন্যান্যের  মধ্যে সহকারী প্রক্টর জনাব মোঃ জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া, লেকচারার মুহাম্মদ নুরুন্নবী প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন। শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেন জনাব জাহিদ হোসেন ভূঁইয়া।  অনুষ্ঠানে বক্তাগণ রমজান মাস ও রোজার তাৎপর্য ও গুরুত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ন ও হৃদয়গ্রাহী আলোচনা পেশ করেন।
আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সফল করায় অনুষ্ঠানের সভাপতি জনাব মোঃ জাহিদ হোসেন সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বুধবার, ২৪ জুন, ২০১৫

একজন প্রেসিডেন্টের কথা


যিনি ছোটবেলায় রাস্তায় কফি আর কলা ভাজা বিক্রি করতো ছেলেটি। কুকুরকে ভীষণ ভয় পেত সে। পথে কোনো কুকুর দেখলেই ভয়ে দৌড়াতে শুরু করতো। এই ভয় তাকে অস্থির করে তুলতো। প্রচণ্ড ভয় পেয়ে একদিন হঠাৎ ছেলেটি প্রতিজ্ঞা করলো আর ভয় পাবে না সে। সিদ্ধান্ত হলো- যখনই কুকুর দেখবে তখনই চোখ রাঙিয়ে তাকিয়ে থাকবে। সিদ্ধান্ত কাজে দিল। এই সিদ্ধান্তই পাল্টে দিলো তার জীবনের মোড়। কারো রক্তচক্ষুই আর ভয় পেত না ছেলেটি। কোনো সমস্যা এলে ভয় পেয়ে তা থেকে পালিয়ে না গিয়ে তাকে মোকাবিলা করা, সমস্যা উৎস খুঁজে বের করা পরিণত হয় তার স্বভাবে। এবং এই মন্ত্রই তাকে পৌছেঁ দেয় সাফল্যের চূড়ায়।যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন,তিনি আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ। 
মাহাথিরের পূর্বপুরুষ চট্টগ্রামের! চট্টগ্রাম জেলার উত্তরাংশে রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা ও কাপ্তাইগামী সড়কের সামান্য পূর্বে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রসিদ্ধ গ্রাম মরিয়ম নগর। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এ গ্রামের এক যুবক ব্রিটিশ শাসিত মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। তিনি ছিলেন জাহাজের নাবিক মালয়েশিয়ায় আলোর সেতার গিয়ে এক মালয় রমনীর সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তাদের ঘরেই জন্ম নেয় বিখ্যাত মাহাথিরের পিতা মোহাম্মদ ইস্কান্দার। এ সূত্রে মাহাথিরের রক্তে মিশে আছে বাংলাদেশের রক্ত।বাংলাদেশের ফজলি আম আর দই তার প্রিয় খাবার। 
১৯৮১ সালের ১৬ জুলাই ৫৫ বছর বয়সে মালয়েশিয়ার চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী হন ড. মাহাথির মোহাম্মদ।আর দশজন প্রধানমন্ত্রীর মতো তিনি ছিলেন না। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এদিক- ওদিক ঘুরে বেড়াই। দেহরক্ষী আছে তবে তাদের অনেক দূরে থাকতে হয়। আমি মনে করি, যেসব নেতা জনগণ থেকে শারীরিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকেন, আমি তাদের মতো নই। আমি একজন সাধারণ মানুষ হয়ে থাকতেই পছন্দ করি। পছন্দ করি নিজে বাজার করতে। সবার সাথে মিশে কফি পান আমার পছন্দ।’ মাহাথিরই পৃথিবীর একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি নিজের নাম লেখা ব্যাজ পরতেন।
‘আমাকে দশজন যুবক দাও, তাহলে আমি সারা বিশ্বকে তোলপাড় করে দেব’- বলেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। কিন্তু মাহাথিরের কাছে ব্যাপারটি ছিল - ‘ দশজন যুবক দেওয়া হলে মালয়ীদের সাথে নিয়ে আমি বিশ্বজয় করে ফেলবো।’ বাস্তাবে হয়েছেও তাই। মালয়েশিয়ার নতুন প্রজন্মকে তিনি স্বদেশপ্রেমে
এমনভাবে উদ্বুদ্ধ করেছেন যে, তারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌছেঁ দিয়েছেন।নিরহংকারী এই মানুষটি বলেছিলেন, "জনগণ আমাকে ভুলে গেলেও আমার কোনো দুঃখ থাকবে না। মন্দটাই মনে রাখে মানুষ। ভালোটা হাড়গোড়ের সঙ্গে মাটিতে মিশে যায়। জনগণ আমাকে মনে রাখল কি রাখল না তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। "
আশা করি চমৎকার এই মানুষটির মতো এদেশেরও একদিন কেউ হাল ধরবেন। পরিবর্তন আসবে এ দেশের। সে দিনের অপেক্ষায় রইলাম আমরা সবাই .

ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত পুলিশ

ফেনীতে ছয় লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা পাচারের সময় এএসআই মাহফুজুর রহমানকে র‌্যাবের গ্রেফতারের পর থেকে বেরিয়ে আসছে ভয়ংকর সব তথ্য । তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে কক্সবাজারে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িতে পুলিশের ছয় সদস্যের সিন্ডিকেটের নাম।
কক্সবাজারে কর্মরত পুলিশের একটি সিন্ডিকেট দুই বছর ধরে সারা দেশে ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে গত শনিবার রাতে ছয় লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা পাচারের সময় ফেনীর লালপোল থেকে এই সিন্ডিকেটের সদস্য এএসআই মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।
পুলিশের কাছ থেকে ইয়াবা কিনলে ঝুঁকি কম, তাই ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এখন ঝুঁকেছে পুলিশের এই বিশেষ সিন্ডিকেটের দিকে।
পুলিশের এ সিন্ডিকেটটি মাসে অন্তত ৫০ লাখ ইয়াবা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করছে বলে গোয়েন্দা সাংস্থার সূত্রের বরাতের খবর প্রকাশ করেছে একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন ভার্সন।
খবরে বলা হয়, সিন্ডিকেটের বেশির ভাগ সদস্যের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। এ কারণে পুলিশের মধ্যে এই সিন্ডিকেটের নাম ‘কুমিল্লা সিন্ডিকেট’ হিসেবেও পরিচিত। কক্সবাজারের জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও টেকনাফ থানায় বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা মিলে গড়ে তুলেছেন এ সিন্ডিকেট। এর মধ্যে এসআই পদমর্যাদার দুই সহোদরও রয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) নজরুল ইসলাম বলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। অন্যদের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার রাতে র‌্যাবের একটি দল ইয়াবা সিন্ডিকেটের সদস্য এএসআই মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর সঙ্গে গাড়িচালক জাবেদ আলীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মাহফুজ ২০১৩ সালে কক্সবাজার থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) কর্মরত ছিলেন। এর আগে দুই বছর তিনি কক্সবাজার জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার মিরপুর গ্রামে। জাবেদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার বাদুগড় গ্রামে। ঢাকায় তাঁর কাছ থেকে ইয়াবাগুলো হাইকোর্টের মুহুরি মো. মোতালেব, অ্যাডভোকেট জাকির, এসবির কনস্টেবল শাহীন, কাশেম ও গিয়াসের বুঝে নেওয়ার কথা ছিল। মাহফুজ বেশির ভাগ সময় কর্মরত ছিলেন ইয়াবা পাচারের অন্যতম রুট কক্সবাজারের টেকনাফ থানায়।
জানা গেছে, ইয়াবাসহ ধরা পড়ার পর র‌্যাবের কাছে মাহফুজ স্বীকার করেছেন তিনিসহ পুলিশের অন্তত ছয় কর্মকর্তা ইয়াবা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। মাহফুজ ইয়াবাগুলো নিয়েছিলেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রেঞ্জের কুমিরা ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আশিকুর রহমান ও কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মো. বেলালের কাছ থেকে। র‌্যাবের করা মামলায় মাহফুজের সহযোগী হিসেবে বেলাল ও আশিককেও আসামি করা হয়েছে।
র‌্যাবের কাছে মাহফুজ তাঁর সহযোগীদের নাম স্বীকার করেছেন। বেলাল ও আশিক ছাড়াও সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা হলেন কক্সবাজার ডিবি পুলিশের এসআই আমিরুল ইসলাম, ডিবি পুলিশের এসআই কামাল আব্বাস ও আশিকের ভাই কক্সবাজার ডিবি পুলিশের এসআই (বর্তমানে মহেশখালী থানায় কর্মরত) আনিসুর রহমান। সবার বাড়ি বৃহত্তর কুমিল্লায়। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা কক্সবাজরে চাকরি করছিলেন।
গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় কক্সবাজারে ইয়াবা আটক করেছেন এই সিন্ডিকেটের পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা আটক করলেও তাঁরা অল্প পরিমাণ জমা দিয়েছেন পুলিশ বিভাগে। বাকি ইয়াবা নিজেরা বিক্রি করার জন্য সেগুলো কক্সবাজারে ভাড়া বাসায় নিয়ে মজুদ করতেন। কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনে বিলাসবহুল হোটেল ও রিসোর্টে রুম ভাড়া নিয়েও সেখানে ইয়াবা মজুদ করতেন তাঁরা। এই মজুদ থেকে মাসে দুটি চালান ঢাকায় পাঠানো হতো। নিরাপদে ইয়াবার চালান ঢাকায় আনতে ব্যবহার করা হতো পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি।
জানা গেছে, পুলিশ লেখা ব্যক্তিগত গাড়ি দেখলে রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ তল্লাশি করত না। ফলে সহজেই ইয়াবা পৌঁছে যেত ঢাকায় নির্দিষ্ট ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হাতে।
মাহফুজ র‌্যাব কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তাঁরা নিয়মিতভাবে ইয়াবা পাচার করতেন। কক্সবাজার থেকে এএসআই বেলাল ইয়াবা সংগ্রহ করে তাঁর (বেলালের) মালিকানাধীন মাইক্রোবাসে করে ঢাকায় নিয়ে যেতেন। আর মাঝেমধ্যে কক্সবাজার যেতেন মাহফুজ। মাহফুজের তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতা উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বেলাল ও আশিকই ইয়াবা পাচারের মূল হোতা। বেলালের নিজস্ব মাইক্রোবাসে করে ইয়াবা পাচার বেশি হয়।’ মাহফুজুরের গাড়িচালক জাবেদের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাবেদ মূলত মাহফুজুরের গাড়িচালক। তবে ইয়াবা কার কার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সেটা জাবেদ জানেন না। মাহফুজ নিজেই গাড়ি চালিয়ে গ্রাহকদের কাছে ইয়াবা পৌঁছে দেন।’
এএসআই মাহফুজ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর এ সিন্ডিকেটের অনেকেই কক্সবাজার থেকে বদলি হওয়ার জন্য তদবির শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সিন্ডিকেটের সদস্য এএসআই বেলাল ও এসআই কামাল আব্বাসকে ডিবি পুলিশ থেকে বদলি করা হয়েছে।
উৎসঃ ফেসবুক

মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০১৫

হিজাবী তরুণীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ওবামার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা হোয়াইট হাউজে মুসলিমদের সম্মানে এক ইফতার পার্টিতে বলেছেন, যে কোনো ধর্মীয় বা আদিবাসী গোষ্ঠীকে টার্গেট করার বিরুদ্ধে আমেরিকানরা ঐক্যবদ্ধ। সোমবার তিনি মুসলিমদের সম্মানে হোয়াইট হাউজে এক ইফতার ডিনারের আয়োজন করেন। এতে কূটনীতিক, কংগ্রেস সদস্যসহ ৪০ জন অংশ নেন। এ সময় ভাষণে ওবামা বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে আমাদের ধর্মবিশ্বাস যাই হোক না কেন আমরা সবাই একই পরিবার।’ এ সময় ওবামা কয়েকজন তরুণ মুসলিমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে সামান্থা ওলাউফ নামের এক তরুণীর যিনি হিজাব পরার অধিকার রক্ষার জন্য সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করেছিলেন। ২০০৮ সালে ১৭ বছর বয়সে ওকলাহোমার একটি দোকানে হিজাব পরে চাকুরির সাক্ষাৎকার দেয়ায় তাকে চাকুরি দেয়া হয়নি। ওবামা বলেন, ‘তিনি হিজাব পরার অধিবার রক্ষায় ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ- তিনি চেয়েছিলেন অন্য সবার মত সমান সুযোগ।’ ‘তিনি সুপ্রিম কোর্টের পথে পা বাড়িয়েছিলেন, যেটা তার বয়সে থাকলে আমি করতাম না, এবং তিনি বিজয়ী হয়েছেন, ’ বলেন ওবামা। সূত্র : এপি  

এ মাস ত্যাগের, ভোগের নয়

এ মাস ত্যাগের, ভোগের নয়। এ মাস সহমর্মিতার, স্বার্থপরতার নয়। রমজান নৈতিক সংযমের মাস। এটা নিছক অর্থনৈতিক সঞ্চয়ের মাস নয়, যা অনেক ব্যবসায়ীর আচরণে প্রতিভাত হয়। মাহে রমজানে আমরা রকমারি আয়োজনে মেতে উঠি মুসলমান হিসেবে প্রকৃত প্রয়োজন বিস্মৃত হয়ে। আমাদের কাছে প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনুষ্ঠান বড়। তাই ঘটা করে ইফতার ‘পার্টি’। কিন্তু দরিদ্র পড়শির ইফতারের সামর্থ্য আছে কি না, খবর নিই না। এ মাসে প্রচার করে মানুষ জমিয়ে জাকাত হিসেবে দেয়া হয় পরিধানের অযোগ্য শাড়ি-লুঙ্গি। অথচ জাকাত যে আত্মকর্মসংস্থান ওদারিদ্র্য মোচনের বলিষ্ঠ হাতিয়ার, সেটা ডিগ্রিধারী মুসলমানেরাও উপলব্ধি করেন না।
রমজান তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় মনে জাগ্রত আর কাজে প্রতিফলিত করার মাস। তাহলেই ঈমানদারের প্রকৃত মুনাফা অর্জিত হবে, যা তিনি মজুদ করবেন অনন্ত পরকালের জন্য। আল কুরআনে যে লাভজনক তেজারত বা ব্যবসায়ের কথা গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মুনাফা সেই পবিত্র ব্যবসায় বা দ্বীনদারির। এটা বাজারিপণ্যের দাম বাড়িয়ে রোজাদারকে কষ্ট দেয়ার অসৎ প্রবণতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মাপে আর ওজনে কম না দিতে আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বারবার নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের ক’জন ব্যবসায়ী এই সতর্কতা বজায় রাখেন? এমনকি রোজার মাসেও আমরা এ ব্যাপারে সজাগ হই না। যেসব ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে, ওজন ও মাপে কম দিয়ে দুনিয়ার লাভকে বড় করে দেখেন, তাদের কেউ কেউ দৃশ্যত ধর্ম পালনকারী হলেও আসলে ধর্মীয় চেতনা তাদের নেই। তা থাকলে সমাজ ও মানবতার প্রতি দায়িত্ববোধের পরিচয় দিতেন তারা। আজ সমাজে ন্যায়বিচার ও নীতিনিষ্ঠার অভাব এবং বৈষম্য-বেইনসাফির প্রাদুর্ভাব। রোজায় অগ্নিমূল্যসহ ব্যবসায়িক অসততা এর একটি উপসর্গ।

কূটনীতিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার



বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আজ ২২ জুন, ২০১৫ সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্স ও কূটনীতিকগণের সম্মানে এক ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। এ ইফতার পার্টিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরাক দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বেইসান জে. আবদুল লতিফ, ওমান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওমর মুহাম্মদ রামাদান আল-বুসাইরী, পাকিস্তান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার সামিনা মেহতাব, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ড. লুসিনডা বেল, ফিলিস্তিন দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব দ্য মিশন ইউসেফ এস. ওয়াই রামাদান, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ডেপুটি চীফ অব মিশন মি. ফিরিডেরিক মাদুরাউড, আইআরআই-এর রেসিডেন্ট কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. ডিসিধর স্টোজকভ, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান দূতাবাসের ডেপুটি চীফ অব মিশন বাহরাম সাঈদ জাদে, এনডিআই-এর কান্ট্রি পরিচাল জনাব সাইফুল করিম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভ্যাটিকান সিটি, ব্রিটিস, জাপান, তুরস্ক, সুইডেন, চীন, সৌদি আরব প্রভৃতি দেশের কূটনীতিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ ইফতার পার্টিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এড. জসিম উদ্দিন সরকার, জনাব আবদুর রব, এড. মশিউল আলম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সহকারী সেক্রেটারী জনাব মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন প্রমুখ।
এ ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদের একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শুনান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
জনাব মকবুল আহমাদ এ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার জন্য রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, চার্জ দ্যা এফেয়ারস ও কূটনীতিকগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইসলাম ও গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দৃঢ়ভাবে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং জামায়াতে ইসলামীর আছে দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বর্তমান সময়ের দাবী, তার রূপকার জামায়াতে ইসলামী। গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারের জন্য যে বহুদলীয় জোট গঠন করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামী তার শরীক দল। এ জোট বাংলাদেশে গণতন্ত্র, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করেনা। বরং সন্ত্রাসবাদকে পাপের কাজ বলে ঘৃণা করে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জামায়াতের ইসলামীর সংগ্রামের গৌরবজনক ইতিহাস আছে। কিছু অন্যায়কারী লোক ছাড়া কেউই জামায়াতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ আনতে পারে না। বর্তমানে দেশের জনগণের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। দেশের জনগণ ভয়ভীতি ও উদ্বেগের মধ্যে আছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য আপনাদের দেশগুলো অব্যাহত প্রচেষ্টা চালানোর জন্য আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারাগারে বন্দী জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী এবং জেলের বাইরে অবস্থানকারী আমি জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমরা দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বর্তমান ক্ষমতাসীন অগণতান্ত্রিক সরকার জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার তার হিং¯্র রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য আমাদের অত্যন্ত সুপরিচিত দুই জন কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতা শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা ও শহীদ মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে অসুষ্ঠু ও অত্যন্ত বিতর্কিত বিচার প্রক্রিয়ায় হত্যা করেছে।
এ পবিত্র রমজান মাসে আমি আপনাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে পবিত্র কুরআনের সূরা মায়েদার ২ নং আয়াতটি উল্লেখ করছি, 
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ 
মায়েদা-২
“নেকী ও আল্লাহভীতির সমস্ত কাজে সবার সাথে সহযোগিতা করো এবং গুনাহ ও সীমা লঙ্ঘনের কাজে কাউকে সহযোগিতা করো না। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর শাস্তি বড়ই কঠোর। ”

প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে কমলা রঙয়ের মৃত্যুদণ্ডের পোশাক পড়ানো হয়েছে


গতকাল মিশরের চার হাজার বছরের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে কমলা রঙয়ের মৃত্যুদণ্ডের পোশাক পড়ানো হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তদের এই পোশাক পড়ানো হয়।মৃত্যুদণ্ডের পোশাক পরিধান করার পর মুরসি বলেন,"আমি ৪০ বছর ধরে এমন মৃত্যুর কামনায় করেছি।"
আল্লাহু আকবার! তার পূর্বসূরিরাও এরকমই ছিলেন।ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে মৃত্যুকে তারা হাসিমুখে আলিঙ্গন করেছেন।মৃত্যুভয়ে তারা ভীত নয়। সাইয়েদ কুতুবের অনেক ছবিই নেটে আছে।কোন ছবিতেই তাকে তেমন হাসিমুখে দেখা যায়না তবে ফাঁসির কাষ্ঠে নেওয়ার পূর্বমুহূর্তের তার একটা হাস্যজ্জল ছবি আছে।ছবিটা দেখলেই মনে হবে যেন তিনি বহু প্রতীক্ষিত কোন জিনিস লাভ করতে যাচ্ছেন।মিশরের প্রধান বিচারপতি আবদুল কাদের আওদাহ ফাঁসির রায় শুনে আনন্দে সেই কবিতা পাঠ করছিলেন যে কবিতা খোবায়েব (রাঃ) শাহাদাতের পূর্বে পাঠ করেছিলেন।  উৎসঃ ফেসবুক